সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লন্ডনের রাস্তায় ছুরিকাহত হয়ে মৃত্যু হল এক গর্ভবতী মহিলার৷ ঘটনাস্থলে জন্ম নেয় তরুণীর সন্তান৷ নির্ধারিত সময়ের আগে জন্মানোয় শিশুর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক৷ আপাতত হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে একরত্তি৷ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সকলেই৷
[ আরও পড়ুন: কিমের দেশে ট্রাম্প, ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে কাটতে চলেছে পারমাণবিক জট!]
লন্ডনের ক্রয়ডনে নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাতে৷ ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন বছর ছাব্বিশের কেলি মেরি নামে গর্ভবতী এক তরুণী৷ আচমকা ওই রাস্তায় মহিলার উপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায় দুই যুবক৷ বারবার কোপানোর জেরে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন মহিলা৷ রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ছটফট করতে থাকেন আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা৷ প্রায় নিথর শরীরেই সন্তানের জন্ম দেন তিনি৷ ততক্ষণে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়৷ মহিলা এবং তাঁর সদ্যোজাতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ যদিও চিকিৎসকদের দাবি অনুযায়ী ততক্ষণে তরুণী মারা গিয়েছেন৷ তবে নির্ধারিত সময়ের আগে জন্মানোয় সদ্যোজাতর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক৷ ওই সদ্যোজাত মেয়ে না ছেলে, তা আপাতত জানা যায়নি৷ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ তবে কী কারণে আট মাসের গর্ভবতীকে খুন করা হল, তা স্পষ্ট নয়৷ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গোটা ঘটনার কিনারা করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা৷
[আরও পড়ুন: কালো টাকায় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক! দু’বছরে সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের জমা কমেছে ১০%]
তরুণীকে খুনের তীব্র নিন্দা করেছেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান৷ টুইটে তিনি লেখেন, ‘‘এই মর্মান্তিক ঘটনা প্রমাণ করছে কোন সমাজে বাস করছি আমরা৷ এ দেশে মহিলাদের উপর হামলাকারীর কোনও স্থান নেই৷ যে সদ্যোজাতটি জন্মেই মাকে হারাল তার কথা ভেবে আমার চোখে জল আসছে৷’’ অতীতে এরকম ঘটনা কখনও ঘটেছে কিনা, তা মনে করতে পারছেন না কেউই৷ তবে ঘটনার নির্মমতায় আতঙ্কিত সকলেই৷
সর্বশেষ খবর
-
রিমঝিম বৃষ্টির মরশুমেও হাসবে বাগান, বর্ষা শুরুর আগে সেরে রাখুন জরুরি এই কাজগুলি
-
‘আমি যেখানে ছিলাম…’, তৃণমূলের ভরাডুবির মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ সোশাল মিডিয়া পোস্ট বাবুলের
-
‘লাতিন আমেরিকান ফুটবলের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞাপন এখন মেসি’, সাক্ষাৎকারে কিংবদন্তি রবার্তো কার্লোস
-
লাফিয়ে বাড়ছে ইবোলা! কঙ্গোয় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬৩৫
-
তৃণমূল ওয়ার্ড অফিসে ধারালো অস্ত্র, অদিতিকে নিশানা করে বিধায়কের দাবি, ‘কোপানোর জন্য রাখা ছিল’