Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬

রোহিঙ্গাদের নির্যাতন, মায়ানমারের বিরুদ্ধে তোপ নোবেলজয়ী কারমানের

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে হস্তক্ষেপের আবেদন জানান তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৫৯

options
link
রোহিঙ্গাদের নির্যাতন, মায়ানমারের বিরুদ্ধে তোপ নোবেলজয়ী কারমানের zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: রোহিঙ্গা ইস্যুতে ফের মায়ানমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন আরেক নোবেলজয়ী। এবার সু কি সরকারকে একহাত নিয়েছেন নোবেলজয়ী মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক তাওয়াক্কুল কারমান। শুক্রবার চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে তিনি সাফ বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের গণহত্যায় লিপ্ত মায়ানমারের সেনাবাহিনী।’

[ট্যাংরার জনবহুল রাস্তায় প্রোমোটারকে কুপিয়ে খুন, পলাতক ৪ অভিযুক্ত]

Advertisement

‘এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন’-এর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলাদেশে এসেছেন ইয়েমেনের এই সাংবাদিক। এদিন তিনি বলেন, “রোহিঙ্গা ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করুক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। নিরুপায় সম্প্রদায়টির গণহত্যায় লিপ্ত বার্মিজ সেনা।” সাংবাদিকদের সামনে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের ভয়াবহ অবস্থার কথা তুলে ধরেন তিনি। জানান, প্রায় ১০০জন রোহিঙ্গা নারীর সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। প্রত্যেকেই জানিয়েছে বার্মিজ সেনার হাতে ধর্ষণের শিকার তাঁরা। নির্যাতিতাদের চোখের সামনেই হত্যা করা হয়েছে তাঁদের পরিজনদের। আজও সেই দৃশ্য তাঁদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে।

এদিন মায়ানমারকে সিরিয়ার সঙ্গে তুলনা করেন কারমান। তিনি জানান, ক্ষমতার জন্য সিরিয়ায় প্রবল যুদ্ধ চলছে। প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ। একই পরিস্থিতি মায়ানমারেও। একইভাবে সংখ্যালঘুদের হত্যা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, সু কি সরকারের নিন্দায় মুখর হয়েছিলেন তিন নোবেলজয়ী নারী। গত মার্চ মাসে নাইপিদাওয়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত ইরানের শিরিন ইবাদি, ইয়েমেনের তাওয়াক্কুল কারমান এবং আমেরিকার মেরেইড ম্যাগুয়ার।

২০১৭-র ২৫ অগাস্ট রাখাইনে জঙ্গিদমন অভিযান শুরু করে বার্মিজ সেনা। অভিযোগ, ওই অভিযানে নিশানা করা হয় নিরীহ রোহিঙ্গাদের। ফলে ছয় মাসে প্রায় সাত লক্ষ রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে আশ্রয় নেয় বাংলাদেশে। এছাড়াও গত কয়েক দশকে আসা আরও প্রায় চার লক্ষ শরণার্থীর ভার বহন করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

[রোমিওদের থেকে আত্মরক্ষা করতে প্রশিক্ষণ নেবেন ‘তেজস্বিনী’রা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.