সুকুমার সরকার, ঢাকা: ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আরও মজবুত বাণিজ্যিক সম্পর্ক। এবার কলকাতা ও হলদিয়া বন্দর ব্যবহার করতে পারবে ভারত। দ্বীপ ও উপকূলবর্তী এলাকায় নৌ-পরিবহন বাড়াতে দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই হয়েছে।
[বাজার ছেয়েছে নকল জামদানিতে, মার খাচ্ছেন বাংলাদেশের কারিগররা]
বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর আগে থেকেই ব্যবহার করে আসছে ভারত। ওই দুই বন্দর থেকে অসম-সহ ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে পণ্য সরবরাহ করতে দুই দেশ চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এছাড়াও দুই দেশের মধ্যে নদী সংযোগ বাড়িয়ে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য অভিন্ন নদীর সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে অসমের গুয়াহাটি ও জোরহাটের মধ্যে নদীপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়েছে। চেন্নাই থেকে জাহাজে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার পর্যন্ত পর্যটকদের নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দর ব্যবহার সংক্রান্ত সমঝোতা পত্র (এমওইউ) সই হয়। এরপর গত সেপ্টেম্বরে এই চুক্তির খসড়ায় অনুমোদন দেয় বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, পণ্য সামগ্রী পরিবহণে শুধু বাংলাদেশের নৌযান ব্যবহার করা যাবে।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই ‘ইন্দো-বাংলা মৈত্রী পাইপলাইন’ প্রকল্পের সূচনা হয় দু’দেশের মধ্যে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই পাইপলাইনের কাজ সম্পূর্ণ হবে বলে জানা গিয়েছে। পাইপলাইন নির্মাণে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। এই পদক্ষেপে জ্বালানি পরিবহনের জন্য যে বিপুল অঙ্কের অর্থ খরচ হয় তা অনেকটাই কমে যাবে। এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বনধ চলাকালীন নিরাপদে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে।
[ঐতিহ্য ফেরাতে পুতুলনাচ শিল্পীদের ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ হাসিনা সরকারের]
সর্বশেষ খবর
-
জেলে বসেই সন্ত্রাসের নেটওয়ার্ক শাহজাহানের! সন্দেশখালিতে অস্ত্রভাণ্ডারের হদিশ, গ্রেপ্তার ৬
-
এবার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ির সামনে ‘পর্ক উৎসব’ হিন্দুত্ববাদীদের! কী বলছেন বামনেতা?
-
যুদ্ধের প্রস্তুতি, দেশের ২৪৪ জেলায় বসছে বিমান হানার বিপদ সংকেত কেন্দ্র
-
কাশ্মীরে জঙ্গিদমন অভিযান চলাকালীন বিপত্তি! পাহাড় থেকে পড়ে মৃত্যু সেনা আধিকারিকের
-
অতিমারী রুখতে কার্যকরী! এআই ব্যবহার করে তৈরি সর্বগুণসম্পন্ন টিকা