সুকুমার সরকার, ঢাকা: এবার বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি রেলপথে জুড়তে চলেছে দার্জিলিং। উদ্যোগের নেপথ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী মোদি। দুই রাষ্ট্রনেতার যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের চিলাহাটি-হলদিবাড়ির সঙ্গে ভারতের শিলিগুড়ি-দার্জিলিংয়ে রেলরুট।
[‘বারবারোসা’ থেকে শিক্ষা, গোপনে ‘যুদ্ধের প্রস্তুতি’ নিচ্ছে ভারত]
বাংলাদেশের প্ল্যানিং কমিশন সূত্রে খবর, সমস্ত পুরনো রেল লিংক পুনরুদ্ধারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশ। এর অংশ হিসেবে দার্জিলিংয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের চিলাহাটি ও হলদিবাড়ি সীমান্তের মধ্যে রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ৭৮ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। ২০১৯-এর জুনের মধ্যেই রেলপথটি নির্মাণ করা হবে। ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালুর লক্ষ্যে বাংলাদেশের চিলাহাটি অংশে ৭ কিলোমিটার ও হলদিবাড়ি অংশে ৩ কিলোমিটার রেলপথ ফের নির্মাণ করা হবে। মোট ১০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করলেই দু’দেশের মধ্যে এই করিডরে রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হবে। এর ফলে খুলনার মোংলা বন্দর ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে।
উল্লেখ্য, প্রায় পাঁচ দশক আগে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ট্রেনে চেপে যাওয়া যেত দার্জিলিং। তখন এই রুট দুই বাংলার অর্থনৈতিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল। তবে ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর এ রুটে সরাসরি ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কালের নিয়মে গুরুত্ব হারায় করিডরটি। প্রসঙ্গত, সদ্য ‘ইন্দো-বাংলা মৈত্রী পাইপলাইন’ প্রকল্পের ঘোষণা করেছে দুই বন্ধু দেশ। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই পাইপলাইনের কাজ সম্পূর্ণ হবে বলে জানা গিয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে