Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬

সিলেটে এখনও চলছে ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’, নিহত দুই পুলিশকর্মী-সহ ৬

‘মর্জিনা’ নামে কোড ব্যবহার করে ওই বাড়িটিতে অবস্থান নিয়েছে জঙ্গিরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৬:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৬:৪০

options
link
সিলেটে এখনও চলছে ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’, নিহত দুই পুলিশকর্মী-সহ ৬ zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: শুরু হয়েছিল শুক্রবার বিকেল থেকে। মাঝে শনিবার গোটা একদিন পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও থামেনি গুলির লড়াই। বাংলাদেশের ৪৭তম স্বাধীনতা দিবসের উষালগ্নে বাংলাদেশের মানুষ ব্যতিক্রমী এক জঙ্গি বিরোধী অভিযানের স্বাদ পেল। ঢাকা থেকে আড়াইশ’ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় বিভাগীয় শহর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার শিববাড়ি এলাকার আতিয়া মহলকে ঘিরে চলছে জঙ্গিদমন অভিযান। বাড়িটির সর্বত্র জঙ্গিরা বিস্ফোরক ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখেছে আশঙ্কায় পুলিশ ভবনে প্রবেশ করতে পারছে না। রবিবার ভোর থেকে থেমে থেমে গুলিযুদ্ধ চলছে। ওই ভবনের ভেতর থেকে জঙ্গিরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি-বোমা ছুঁড়ছে।

[৪০ ঘণ্টা পার, সিলেটে এখনও চলছে ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’]

শনিবার সন্ধেবেলা ও রাতে অভিযানস্থলের বাইরে পরপর দুটি বোমা বিস্ফোরণে পুলিশের একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত), একজন পরিদর্শক নিহত হন। তারা দু’জনই পুলিশের বোমা নিস্ক্রিয়কারী দলের সদস্য। তিনজন স্থানীয় বাসিন্দা ও অজ্ঞাতনামা একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া সাংবাদিক, পুলিশ, ব়্যাব সদস্য-সহ ৩২ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সিলেট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটি এসবি’র ওসি (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম, পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক চৌধুরি মহম্মদ আবু কওসর, শাসকদলের ছাত্রলিগ নেতা ওয়াহিদুল ইসলাম অপু, মাদ্রাসা ছাত্র জান্নাতুল ফাহিম, শহিদুল ইসলাম ও অঞ্জাত পরিচয় একজনের মৃত্যু হয়। শুক্রবার সকাল থেকে শিববাড়ির ‘আতিয়া মহলে’ জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শুরু হয়। শনিবার যোগ দেয় সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ও পুলিশের সোয়াট সদস্যদের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী।

Advertisement

শনিবার সন্ধেয় আতিয়া মহল থেকে ৩০০ মিটার উত্তরের রাস্তায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এর আগে ওই ভবন থেকে ৭৮ জনকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, ‘মর্জিনা’ নামে কোড ব্যবহার করে ওই বাড়িটিতে অবস্থান নিয়েছে জঙ্গিরা। ভেতরে নব্য জেএমবি নেতা মুসা থাকতে পারে বলেও ধারণা করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযানস্থল এবং এর আশপাশের এলাকা পুরোপুরি ঘিরে করে রেখেছে সেনা-সহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.