Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Bangladesh MP Murder Case

পরিচয় লুকিয়ে পাহাড়ি এলাকায় গা ঢাকা, গ্রেপ্তার বাংলাদেশের সাংসদ খুনে ২ অভিযুক্ত

মাস্টারমাইন্ড আখতারুজ্জামান শাহিনকে গ্রেপ্তার করাই এখন মূল টার্গেট তদন্তকারীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৪, ২৩:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৪, ২৩:১২

options
link
পরিচয় লুকিয়ে পাহাড়ি এলাকায় গা ঢাকা, গ্রেপ্তার বাংলাদেশের সাংসদ খুনে ২ অভিযুক্ত zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার আরও দুই অভিযুক্ত। চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মাস্টারমাইন্ড আখতারুজ্জামান শাহিনকে গ্রেপ্তার করাই এখন মূল টার্গেট তদন্তকারীদের। ডিবি পুলিশের আধিকারিক হারুন বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেলিজেন্সকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমেরিকার চুক্তি রয়েছে। তারাও চেষ্টা করছে ধরার। আমরাও চেষ্টা করছি।”

আনার হত্যার অন্যতম দুই অভিযুক্ত ফয়সাল ও মোস্তাফিজ পাহাড়ি এলাকায় রয়েছে, গোপন সূত্রে সে খবর পায় পুলিশ। তার পরই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল বুধবার হেলিকপ্টারে খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাহাড়ে অভিযান চালায়। অবশেষে তদন্তকারীদের জালে ধরা পড়ে ফয়সাল ও মুস্তাফিজ। তদন্তকারীদের দাবি, ছদ্মবেশে সীতাকুণ্ডের পাথাল কালী মন্দিরে ২৩ দিন ছিল দুজনে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বুলডোজারের সামনে আমি দাঁড়াব’, উচ্ছেদ নিয়ে মমতাকে পালটা চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর]

তারা নাম পরিবর্তন করে। পলাশ দাস ও শিমুল রায় বলে পরিচয় দিত তারা। এদিন সন্ধেয় হেলিকপ্টারে ঢাকার পূর্বাচলে ১৮ নম্বর সেক্টরে বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ারে পৌঁছন তদন্তকারীরা। তদন্তকারী আধিকারিক হারুন বলেন, “শিমুল ভূঁইয়ার সঙ্গে থেকে ফয়সাল, মোস্তাফিজ, জিহাদ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। মূল ঘাতক ছিল শিমুল ভূঁইয়া। বিভিন্ন জায়গায় ফয়সাল ও মোস্তাফিজের অবস্থানের তথ্য পাচ্ছিলাম। গত মঙ্গলবার জানতে পারি তারা খাগড়াছড়ির গহীন পাহাড়ে রয়েছে। আনার হত্যার পর এই দুই অভিযুক্ত ১৯ মে বাংলাদেশে আসে। ২০ মে তাদের দুজনকে মাত্র ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। তারা বিভিন্নভাবে দেশ থেকে পালানোর চেষ্টাও করেছিল।”

এদিকে, আনার হত্যা মামলার অভিযুক্ত আওয়ামি লিগ নেতা কাজি কামাল আহমেদ ওরফে গ্যাসবাবুর দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহের একটি পুকুরে তল্লাশি চালায়। পায়রা চত্বর এলাকার পিপীলিকা মার্কেটের পিছনের পুকুরে ডুবুরি ও মৎস্যজীবীদের জাল নিয়ে অভিযান চালায়। কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাসবাবুকে কঠোর নিরাপত্তায় পুকুরপাড়ে নিয়ে যায় পুলিশ। বাবুর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডুবুরিদের নামিয়ে তল্লাশি অভিযান চলে। ওই পুকুরেই দুটি মোবাইল ফোন ফেলে দেয় গ্যাসবাবু। এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে গাজিপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি গাড়িতে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে আনা হয় গ্যাসবাবুকে।

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরই গ্রেপ্তার ‘জমি মাফিয়া’, শ্রীঘরে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির তৃণমূল নেতা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.