Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

খালেদা মামলায় উত্তপ্ত বাংলাদেশ, সুপ্রিম কোর্টে হাতাহাতি আইনজীবীদের  

দেশজুড়ে আদালত বয়কটের হুমকি দিল বিএনপি৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৮, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৮, ১৬:২৫

options
link
খালেদা মামলায় উত্তপ্ত বাংলাদেশ, সুপ্রিম কোর্টে হাতাহাতি আইনজীবীদের   zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড নিয়ে উত্তপ্ত বাংলাদেশ৷ ইতিমধ্যে দেশজুড়ে ঘটেছে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা৷ হাতাহাতি হয়েছে আওয়ামি লিগ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে৷ সেই আঁচ এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে৷ বুধবার আদালত চত্বরেই সংঘর্ষে জড়ালেন উভয় পক্ষের আইনজীবীরা৷

[আরও বিপাকে খালেদা জিয়া, দুর্নীতি মামলায় সাজা বেড়ে ১০ বছর]

Advertisement

এদিন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদার সাজার প্রতিবাদে আদালত বর্জনের ডাক দেন বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা৷ শীর্ষ আদালতের চত্বরে শুরু হয় বিক্ষোভ৷ আইনজীবী সমিতির সভাপতির কক্ষের সামনে গ্যাংওয়ের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়৷ পালটা প্রতিবাদ শুরু করেন শাসকদলের সমর্থনে থাকা আইনজীবীরা৷ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি৷ দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নিরাপত্তারক্ষীরা৷ ঘটনায় বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর মিলেছে৷ বিক্ষোভ চলাকালীন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি তথা বিএনপি নেতা জয়নুল আবেদিন দাবি করেন, আইনজীবীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আদালত বর্জন কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁরাই গেটে তালা দিয়েছেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, সরকার বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ বন্ধ না করলে দেশজুড়ে আদালত বর্জন করা হবে। এদিকে বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান তথা আওয়ামি লিগ নেতা, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের বক্তব্য, আইনজীবী সমিতিকে রাজনৈতিক মঞ্চ বানিয়ে ফেলা হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে আইনিভাবেই করতে হবে। আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত আইনজীবী সমিতির সিদ্ধান্ত নয়। আদালত বর্জন করলে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা করতে পারে। গেটে তালা দিয়ে সাধারণ আইনজীবীদের তারা বাধ্য করতে পারে না।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির একটি মামলায় বেগম জিয়ার জেলের সাজা ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করে হাই কোর্ট। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে বিপুল অঙ্কের টাকা নয়ছয় জরার অভিযোগ ওঠে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে। দায়ের হয় বেশ কয়েকটি মামলা। এমনই এক মামলার রায় ঘোষণা হয়েছিল গত ৮ ফেব্রুয়ারি। বকশিবাজারে কারা-অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে চলে শুনানি। বিচার শেষে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ঘোষণা করেন বিচারক মহম্মদ আখতারুজ্জামান। একই সঙ্গে ১০ বছরের জেলের সাজা দেওয়া হয় তারেক রহমান, মাগুরার প্রাক্তন এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামালউদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে। ওই মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের আপিলে এদিন জিয়ার সাজা বৃদ্ধি করে ১০ বছর করল বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মহম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ।

[আরও মজবুত সম্পর্ক, এবার কলকাতা-হলদিয়া বন্দর ব্যবহার করবে বাংলাদেশ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.