Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৪ জুন ২০২৬

অদ্ভুত রোগের ‘থাবা’, এই যুবকের হাতের ওজন পাঁচ কেজি

তাঁর বিশ্বাস, একদিন রোগমুক্তি ঘটবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ১৮:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ১৮:৪৬

options
link
অদ্ভুত রোগের ‘থাবা’, এই যুবকের হাতের ওজন পাঁচ কেজি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুঠাম বাইসেপস অনেক পুরুষেরই স্বপ্ন। সুপারস্টার সলমন খান-হৃতিক রোশনের মতো বাইসেপস পেতে জিমখানায় দিনরাত কসরত করেন অনেকেই। কিন্তু বাংলাদেশের রাজীব গাইন বিনা পরিশ্রমেই অনেকটা তেমন বাইসেপসের অধিকারী। তবে নিজের সেই বাহু একেবারই না-পসন্দ তাঁর। কারণ এ হাত তাঁকে সাফল্য নয়, বরং সমস্যাই এনে দিয়েছে প্রতি পদে।

[কীভাবে দূর করবেন সিগারেটের নেশা? এই টোটকাগুলো মেনেই দেখুন]

১৯ বছরের রাজীবের এমন বাইসেপস আসলে একপ্রকার রোগ। তখন তাঁর বয়স মাত্র ৩ মাস। দেহের বাঁদিকে একটি টিউমার ধরা পড়েছিল। অস্ত্রোপচার করে সেই টিউমার বের করে দিলে আর পাঁচজনের মতো সুস্থ জীবনযাপন করতে পারতেন রাজীবও। কিন্তু অর্থের অভাবে তা হয়ে ওঠেনি। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টিউমার ছড়িয়ে পড়ে শরীরের বাঁদিক জুড়ে। পিঠের বাঁদিক ও বাম পায়ে সংক্রমিত হতে থাকে রোগ। একটা সময় রাজীবের পুরো বাঁদিক অবশ হয়ে যায়। হাঁটতে, চলতে পারতেন না তিনি। রাতে ঘুমাতে এমনকী জামাকাপড় পরতেও অসুবিধা হতে শুরু করে। ধীরে ধীরে টিউমার অক্ষম করে দেয় তাঁর বাঁদিকটা। এবং সেই হাতের আকার একেবারে পালটে যেতে থাকে। হাতের আঙুলগুলি ক্রমেই হয়ে ওঠে দানবের মতো। হাতের তালু না বলে তাকে অনেকেই জন্তর থাবার সঙ্গে তুলনা করেন। হাতের বিভিন্ন অংশে দেখা দেয় অস্বাভাবিক খাঁজ। বর্তমানে তাঁর হাতের ওজন পাঁচ কিলো। সমস্যা এতটাই যে বর্তমানে রাজীবকে হাঁটতে হলে তাঁর বাঁ-হাতটি উপরের দিকে তুলে রাখতে হয়। তবেই শরীরের অন্যদিকের ভার বহন করতে পারেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[‘সারাহা’র শিহরণে তিতিবিরক্ত? সব পোস্ট ব্লক করুন এভাবেই]

এসব সত্ত্বেও জীবনের প্রতি ভালবাসা এতটুকু কমে যায়নি বাংলাদেশি যুবকের। তাঁর বিশ্বাস, একদিন রোগমুক্তি ঘটবে। লেখাপড়া করে চাকরিও পাবেন। স্বাবলম্বী হয়ে বাবাকে আর্থিকভাবে সাহায্য করবেন। সে বিষয়ে মিলেছে সামান্য আশার আলোও। সম্প্রতি রাজীবের এক আত্মীয় তাঁর শারীরিক অবস্থার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। তারপরই গোটা ঘটনা বাংলাদেশ স্বাস্থ্য দপ্তরের নজরে আসে। তাঁর চিকিৎসায় সরকারি সাহায্যের আশ্বাসও দেওয়া হয়। সঠিক চিকিৎসায় দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে বাড়ির ছেলে, আশা রাজীবের পরিবারের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.