Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

রোহিঙ্গা নির্যাতনের জের, সু কি’কে দেওয়া সম্মান ফিরিয়ে নিল লন্ডন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরও চাপে নাইপিদাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২০, ১৫:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২০, ১৫:০৭

options
link
রোহিঙ্গা নির্যাতনের জের, সু কি’কে দেওয়া সম্মান ফিরিয়ে নিল লন্ডন zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: মায়ানমারের শীর্ষ নেত্রী আং সান সু কি’কে দেওয়া সম্মান কেড়ে নিল লন্ডন সিটি কার্পোরেশন (সিএলসি)। রাখাইনে মুসলিম সংখ্যালঘু গোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের ঘটনায় বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত নেয় শহরটির কর্তৃপক্ষ।

[আরও পড়ুন: পরিচয় লুকোতে হিন্দু নাম গ্রহণ, কলকাতা বিমানবন্দরে ধৃত ২ রোহিঙ্গা]

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, লন্ডনের ঐতিহাসিক এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলি পরিচালনা করা সিএলসি কর্তৃপক্ষের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভোটে সু কি’র সম্মান বাতিল করা হয়। ২০১৭ সালের মে মাসে মায়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর সু কি’কে এই সম্মানে ভূষিত করেছিল সিএলসি। এর মাধ্যমে মায়ানমার নেত্রীর অনেক বছর ধরে গণতন্ত্রের জন্য অহিংস লড়াই এবং মানুষের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে তাঁর অবিচল নিষ্ঠার প্রতি স্বীকৃতি জানানো হয়। সে সময় ইউরোপ সফরে থাকাকালীন সু কি লন্ডনে ওই সম্মাননা প্রদানের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং পুরস্কার গ্রহণ করেন। যদিও রোহিঙ্গা সমস্যার জন্য সেখানে তিনি বিক্ষোভের সম্মুখীন হয়েছিলেন। তবে ডিসেম্বরে হেগে আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে গাম্বিয়ার করা মামলার শুনানিতে সু কি’র অবস্থানের পর সম্মানটির জন্য তিনি যোগ্য নন বলে একমত হয় সিএলসি। রোহিঙ্গাদের ওপর মায়ানমারের গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগের অভিযোগ অস্বীকার করেন শান্তিতে নোবেলজয়ী নেত্রী। সু কি’র আগে সিএলসি’র এই সম্মান লাভ করেন প্রয়াত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইন্সটন চার্চিল, দক্ষিণ আফ্রিকার নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা, বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।

Advertisement

উল্লেখ্য, মায়ানমারে বার্মিজ সেনার অভিযানের পর বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করেছে কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা। মানবিকতার নজির গড়ে তাদের আশ্রয় দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। তবে জাল নথি যোগাড় করে অনেক শরণার্থীই প্রবেশ করছে ভারতে। অনেকেই আবার পাড়ি দিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলিতে। পাশাপাশি, শরণার্থী শিবিরে বাড়ছে জঙ্গিদের আনাগোনাও। মায়ানমারে চলছে রোহিঙ্গাদের একাংশের জঙ্গি প্রশিক্ষণ। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের নিরাপত্তায় বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছে রোহিঙ্গারা।

[আরও পড়ুন: CAA-NRC’র ভয়, জাল পরিচয়পত্র নিয়ে ভারত ছাড়ছে অসংখ্য রোহিঙ্গা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.