Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bangladesh

ফেসবুকে পার্সিয়ান বিড়ালের ফাঁদ! বিপুল টাকা খোয়ালেন বাংলাদেশিরা

পোস্টে 'আর্জেন্ট' লিখে বিড়াল দত্তক নেওয়ার বিষয়ে জানানো হয়। পোস্টে লেখা হয়েছিল, 'বিড়াল বেচাকেনা যেহেতু হারাম, তাই ভালো একটি পরিবারকে দিতে চাই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৮:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৮:৩৯

options
link
ফেসবুকে পার্সিয়ান বিড়ালের ফাঁদ! বিপুল টাকা খোয়ালেন বাংলাদেশিরা zoom
পার্সিয়ান বিড়াল। ফাইল ছবি

বিড়াল কেনা-বেচা হারাম। তাই পার্সিয়ান বিড়াল দত্তক দিতে চান বিড়ালের মালিক। তবে বিড়ালটিকে পাঠানোর খরচ দিতে হবে গ্রাহককে। সম্প্রতি বাংলাদেশের সোশাল মিডিয়ায় এমনই পোস্ট ব্যপকভাবে ভাইরাল হয়। লোমশ আদুরে এই বিড়াল পেতে যোগাযোগ করে টাকাও দেন বহু মানুষ। তবে বিড়াল আসেনি, ফেরত পাওয়া যায়নি টাকা। বরং টাকা হাতিয়ে বেমালুম উধাও হয়ে গিয়েছেন পোস্টদাতা। এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে প্রতিবেশী বাংলাদেশে। এই ঘটনার আদালতে মামলা দায়েরের পাশাপাশি তদন্তে নেমেছে ঢাকা পুলিশ।

এই ঘটনায় প্রতারিত যুবক নিয়াজ মাহমুদের দাবি অনুযায়ী, গত ৩১ অক্টোবর এক ফেসবুক পোস্টে এই পার্সিয়ান বিড়াল সম্পর্কে জানতে পারেন তিনি। পোস্টে ‘আর্জেন্ট’ লিখে বিড়াল দত্তক নেওয়ার বিষয়ে জানানো হয়। পোস্টে লেখা হয়েছিল, ‘বিড়াল বেচাকেনা যেহেতু হারাম, তাই ভালো একটি পরিবারকে দিতে চাই। যাদের আগে বিড়াল পালনের অভিজ্ঞতা আছে, আর মাঝে মাঝে বিড়ালের বর্তমান মালিককে দেখাতে পারবে, তাদেরই দেওয়া হবে। মেয়ে বিড়াল। ভ্যাকসিন দিতে হবে।’ এই পোস্ট দেখে নিচে থাকা একটি মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করেন, ভয়েস মেসেজে তাঁদের কথাবার্তা হয়।

Advertisement

সেখানেই অজ্ঞাতপরিচয় এক মহিলা জানান, বিড়ালটিকে রাতেই এক বন্ধুর হাতে নিয়াজের বাড়িতে পাঠানো হবে। তবে পরে ওই মহিলা নিজামের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তাঁর বন্ধুটি এই মুহূর্তে যেতে পারছেন না। বিড়ালটিকে দিনাজপুর থেকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে তবে খরচ বাবদ ৬০০ টাকা পাঠাতে হবে। তবে ৮০০ টাকা পাঠানোর পরও বিড়াল পাননি তিনি। একইভাবে আরও বহু মানুষ প্রতারিত হয়েছেন। এঁদের কারও কাছ থেকে দেড় হাজার। ২ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে নানা অছিলায়।

এই ঘটনায় একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতেই তদন্তে নেমেছে পুলিশ। মোবাইল নম্বর ও অ্যাকাউন্টের সূত্র ধরে প্রতারকের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি আদালতেও এই বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.