৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: মঙ্গলবার ফের বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিসে ভাঙচুর চালাল বিক্ষুব্ধ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি বোমাও ফাটিয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় কাকরাইলের স্কাউট ভবনের সামনে থেকে মিছিল করে বিএনপি অফিসের সামনে আসে বিক্ষোভকারীরা। তারপর অফিসের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ছাত্রদলের বেশকিছু নেতা-কর্মীকে তাড়াও করেন। কার্যালয়ে নিচের শাটার ও গেটে লাথি মারেন।

[আরও পড়ুন- মানব পাচার রুখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বাংলাদেশ, পুলিশের গুলিতে খতম ৩ পাচারকারী]

দু’পক্ষের মারামারিতে মাহবুবুর রহমান ইমতিয়াজ নামে এক বিক্ষোভকারী আহত হয়। কার্যালয়ের নিচে প্রধান ফটকের সামনে নিরাপত্তাকর্মীর টেবিল ভাঙা অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁকে গেটের বাইরে বের করে দেয় বিক্ষুব্ধরা। এরপর বিএনপি অফিসের গেটের সামনে বসে, “সিন্ডিকেটের দালালদের আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও” “সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন” “সিন্ডিকেটের দেওয়া নির্বাচন মানি না, মানব না” ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।

মূলত সদস্যপদের বয়সসীমা শিথিল ও ১২ নেতার বহিষ্কারের আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে একজোট হয়েছিল বিক্ষুব্ধরা। তারপর নয়াপল্টনে অবস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ দেখায়। এই ভবনের নিচের তলার বিদ্যুতের মেন সুইচ বন্ধ দেয়। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভিতরে তখন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি-সহ কেন্দ্রীয় নেতারা ছিলেন।

[আরও পড়ুন- অসহ্য যন্ত্রণায় দুর্বিষহ জীবন! হাত কাটতে চান বাংলাদেশের ‘গাছমানব’]

বিক্ষোভের পর বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা ইকতিয়ার কবির বলেন, “আগামীকাল মানবাধিকার দিবস। বিএনপির পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমরা চাই, এই সংকটের সমাধান। বয়সসীমা তুলে নিয়ে নতুনভাবে তফসিল ঘোষণা করা হোক। এজন্য আমরা আগামীকালের কর্মসূচি স্থগিত রাখছি। আমরা আশা করব, এর মধ্যে নেতারা এর সমাধান করবে। না হলে পরেরদিন থেকে আমাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে। পরবর্তী যে কোনও পরিস্থিতির জন্য সিন্ডিকেট দায়ী থাকবে।” বিক্ষোভ শেষ হওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে দুটি বোমা বিস্ফোরণ হয়। কিন্তু, এরপর ফলে কারও কোনও ক্ষতি হয়নি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং