সুকুমার সরকার, ঢাকা: ধর্ম যে উৎসবে শামিল হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধাই নয়, তাই যেন প্রমাণ করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের পুজোমণ্ডপ পরিদর্শন করলেন তিনি। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছাও জানান তিনি। সব ধর্মের মানুষেরাই দেশে যেকোনও অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন বলেই জানান হাসিনা।
[আরও পড়ুন: ছ’মাসে বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার ৪৯৬ জন শিশু! সমীক্ষা রিপোর্টে চাঞ্চল্য]
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশে সব ধর্মাবলম্বীর জন্য উৎসব পালনে স্বাধীনতা রয়েছে। আমাদের উৎসবগুলোতে সবাই এক হয়ে উদযাপন করি। বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে আমরা এক এক হয়ে পথ চলি। প্রত্যেকের ধর্মকে আমরা সম্মান করি এবং আমরা চাই আমাদের দেশে শান্তি বজায় থাকুক। এদেশে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক, দুর্নীতি এ ধরনের যেসব ব্যাধি সমাজকে নষ্ট করে, দেশকে নষ্ট করে, পরিবারকে নষ্ট করে, পরিবারিক জীবনকে অতিষ্ঠ করে, তা যেন না থাকে। বাংলাদেশে শান্তি বজায় থাকবে। বাংলাদেশের সমৃদ্ধি হবে। বাংলাদেশের উন্নতি হবে। বাংলাদেশের অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে এটাই আমরা চাই।”
[আরও পড়ুন: প্রসঙ্গ বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক, ভারত সফরে এসে শ্যাম বেনেগালের সঙ্গে কথা বললেন হাসিনা]
বাংলাদেশের সম্প্রীতির চিত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশে চমৎকার একটা পরিবেশ। আমাদের ইদের জামাত যখন অনুষ্ঠিত হয় তখন আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্তরা সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে। আবার যখন পুজোপার্বণ হয়, মুসলমান যুবকেরা সেখানে উপস্থিত থাকে, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে। একটা সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ যে আমরা সৃষ্টি করতে পেরেছি। এটাই হচ্ছে সব ধর্মের মূলকথা। শান্তি এবং মানবতার লক্ষ্য নিয়েই বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে।”
সর্বশেষ খবর
-
কলকাতা লিগের ডার্বিতে নামার আগে সামনে ইউনাইটেড, কোন চিন্তা ভাবাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলকে?
-
নিম্নচাপ সরছে ঝাড়খণ্ডে, পাহাড়ে ফের ভারী বৃষ্টির সর্তকতা, কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?
-
এড়িয়েছিলেন প্রথম তলব! ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে অবশেষে থানায় ডেরেক, আজই হাজিরা দেবেন সুমিতও
-
‘ককরোচ’ আন্দোলনের পর প্রথমবার, জেন জির ‘মন কি বাত’ শুনতে কলেজ ক্যাম্পাসে মোদি
-
‘দিল্লি বিস্ফোরণে আপনার টাকা’, ৭ দিন ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ প্রবীণ দম্পতি, ৩০ লাখ লুট