৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সুকুমার সরকার, ঢাকা: সরকার কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে ঠিকই। তবে তাতেও লাভ কিছুই হয়নি। পরিবর্তে বাংলাদেশে ক্রমশই বাড়ছে শিশু ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য ঘটনা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশে ছয় মাসে ৪৯৬ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘শিশু অধিকার ও বর্তমান পরিস্থিতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ও বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম।

[আরও পড়ুন: প্রসঙ্গ বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক, ভারত সফরে এসে শ্যাম বেনেগালের সঙ্গে কথা বললেন হাসিনা]

অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অব চিলড্রেন অ্যাট হাই রিক্স (ডিসিএইচআর) প্রকল্প ব্যবস্থাপক ইউ কে এম ফারহানা সুলতানা বলেন, “চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৪৯৬ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ২০১৮ সালে এ সংখ্যা ছিল ৫৭১। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে দেশে শিশু ধর্ষণ বেড়েছে ৪১ শতাংশ হারে যা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। অধিকাংশ সময় সম্মান হারানোর ভয় ও প্রভাবশালীদের চাপের মুখে শিশু নির্যাতনের ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়। ধর্ষণের মামলা করতেও ভয় পান অভিভাবকরা। আবার অনেক সময় দরিদ্র অভিভাবকের পক্ষে দীর্ঘদিন মামলা চালিয়ে নেওয়াও সম্ভব হয় না।” অনেকেই মনে করেন, অপরাধীর শাস্তি না হওয়ায় সমাজে শিশু ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। শিশু নির্যাতনের আরও একটি বড় কারণ আইনের ধীরগতি। দ্রুত বিচার কার্যকর না হওয়ায় জামিনের সুযোগ পেয়ে যায় অপরাধীরা। অভিযুক্ত প্রভাবশালী হলে সমস্যা আরও বাড়ে। প্রভাবশালীর চাপের মুখে নির্যাতিতার পরিজনেরা সমঝোতায় যেতে ও মামলা তুলে নিতে বাধ্য হয়।

[আরও পড়ুন: শুরু প্রজননের মরশুম, ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করল বাংলাদেশ]

অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক জামিল এইচ চৌধুরি বলেন, “শিশু ধর্ষণের ঘটনা ক্রমাগত বাড়ার প্রধান কারণ নির্যাতনের পরেও আইনের আওতায় আসছে না অপরাধীরা। ফলে একের পর এক শিশু ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটছে। আইন থাকলেও অনেক সময় তা উপেক্ষিত হচ্ছে। এছাড়া মামলা হলে যে চার্জশিট জমা দেওয়া হয় তাতে আইনের ফাঁকফোকরে ছাড়া পেয়ে যায় অপরাধী।” বিএসএএফের পরিচালক আবদুল সহিদ মাহমুদ বলেন, “২০২১ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের সম্ভাবনা খুবই কম। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি সুস্পষ্ট।” শিশুদের সুরক্ষায় বাজেট বাড়ানো ও তা বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় করার আহ্বান জানান তিনি।

    WP_Term Object ( [term_id] => 78 [name] => Bangladesh [slug] => bangladesh [term_group] => 0 [term_taxonomy_id] => 78 [taxonomy] => post_tag [description] => [parent] => 0 [count] => 769 [filter] => raw )
  • Bangladesh
  • WP_Term Object ( [term_id] => 23877 [name] => Bengali News [slug] => bengali-news [term_group] => 0 [term_taxonomy_id] => 23877 [taxonomy] => post_tag [description] => [parent] => 0 [count] => 14159 [filter] => raw )
  • Bengali News
  • WP_Term Object ( [term_id] => 504 [name] => News [slug] => news [term_group] => 0 [term_taxonomy_id] => 504 [taxonomy] => post_tag [description] => [parent] => 0 [count] => 11044 [filter] => raw )
  • News

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং