Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
জঙ্গি দমন

শেখ হাসিনার নির্দেশে জঙ্গি নির্মূলে নয়া পদক্ষেপ বাংলাদেশের

সচেতনতা বাড়লে সন্ত্রাস নির্মূল সম্ভব, দাবি হাসিনা সরকারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২০, ১৫:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২০, ১৫:১৬

options
link
শেখ হাসিনার নির্দেশে জঙ্গি নির্মূলে নয়া পদক্ষেপ বাংলাদেশের zoom
ফাইল ফটো

সুকুমার সরকার, ঢাকা: সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ডে জঙ্গি হামলার ঘটনায় আঁতকে উঠেছে গোটা বিশ্ব। এর আগে বাংলাদেশেও ঘটেছে এই ঘটনা।  সেই সময় জঙ্গিদের মূল টার্গেট ছিল লেখক, ব্লগার, শিক্ষাবিদেরা। জঙ্গি তৎপরতা মোকাবিলায় সেসময়ও সফলতার পরিচয় দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তিনি বরাবরই বলেছেন, জঙ্গিরা আসলে ধর্ম চায় না, মানুষের শান্তি বিনাশ করতে চায়। ফের জঙ্গি দমনে কড়া পদক্ষেপ নিল হাসিনা সরকার।

[আরও পড়ুন:  অস্তিত্বহীনতার পথে জামাত, নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের তোড়জোড় বহিষ্কৃতদের]

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জঙ্গি বিরোধী দৃঢ়তার কারণেই ফের কড়া ভূমিকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। জঙ্গি বিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণসংযোগ সপ্তাহ শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। এই গণসংযোগ সপ্তাহ চলবে আগামী ৪ মে পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, এ সপ্তাহের অংশ হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপি ৫০টি থানায় সংশ্লিষ্ট বিট অফিসার-সহ এলাকাবাসীকে নিয়ে একটি বৈঠক করবেন। মহানগরের বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও সভার আয়োজন করা হবে বলে সূত্রের খবর। সভায় সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূলে পুলিশের পদক্ষেপ ও জনগণের করণীয় বিষয়ের উপর আলোচনা করবেন অংশ গ্রহণকারীরা।

Advertisement

ফের বাংলাদেশ সরকারের নড়েচড়ে বসার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল, সম্প্রতি আইএস সমর্থিত একটি চ্যানেলে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে বাংলায় ‘শীঘ্রই আসছি’ লেখা একটি পোস্টার প্রকাশ পেয়েছে। বাংলায় লেখা সেই পোস্টারে মুরসালাত নামে আইএসের একটি শাখা সংগঠনের প্রতীক দেখা যায়। শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ হামলার পর গোয়েন্দা সংস্থা এই পোস্টারটিকে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। ভারতীয় পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জামাত উল মুজাহিদিনের (জেএমবি) সঙ্গে আইএসের যোগ রয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কলকাতার বাবুঘাট এলাকা থেকে আরিফুল ইসলাম নামে এক জেএমবি সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃত আরিফুল ২০১৮ সালের বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত। গত রবিবার শ্রীলঙ্কায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ইস্টার সানডে চলাকালে গির্জা ও বিলাসবহুল হোটেলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় আড়াইশো মানুষ নিহত হয়েছেন। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। বাংলাদেশ সরকারের দাবি, উগ্রবাদ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যম, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং সিভিল সোসাইটির সদস্য-সহ কমিউনিটির প্রত্যেকের কার্যকর ভূমিকা পালনের সুযোগ রয়েছে। 

[আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ সত্ত্বেও জামিন ২ মাদ্রাসা শিক্ষকের]

ডিএমপির নিদের্শে আরও বলা হয়েছে, আশপাশের নতুন ভাড়াটিয়ার বিষয়েও সকলকে নজর রাখতে হবে। নতুন ভাড়াটিয়া সবসময় দরজা, জানালা বন্ধ করে রাখে কি না, প্রতিবেশীর সাথে মেলামেশা করেন কি না, টেলিভিশন-সহ বিনোদনের কোনও মাধ্যম বাড়িতে রাখে না, কাজের লোক ব্যবহার করে না, পার্শ্ববর্তী দোকানে না গিয়ে দূরবর্তী দোকানে বাজার সওদা করেন কি না, বাড়ি থেকে বের হওয়া বা প্রবেশ করার জন্য স্বাভাবিক সময় ব্যবহার করে না, পাশের মসজিদে নমাজ না পড়ে দূরবর্তী কোন মসজিদে নমাজ পড়ে। এসব বিষয় নজরে রাখার নির্দেশ দেন তারা। বেগতিক বুঝলে নিকটস্থ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.