Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bangladesh

এপারে ‘মাতৃভূমি লোকাল’, ওপারে ‘মাতৃভূমি ট্রেন’, নারীদের সুবিধায় মমতাই অনু্প্রেরণা তারেকের!

নারী দিবসের পরই ঢাকায় ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ চালুর উদ্যোগ নিল তারেক রহমানের সরকার, শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।

Advertisement
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৮:০৬

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৮:০৬

options
link
এপারে ‘মাতৃভূমি লোকাল’, ওপারে ‘মাতৃভূমি ট্রেন’, নারীদের সুবিধায় মমতাই অনু্প্রেরণা তারেকের! zoom
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এবার বাংলাদেশের মহিলাদের জন্য 'মাতৃভূমি বাস'।

নারীদের সুবিধা ও উন্নয়নে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ‘অনুপ্রেরণা’ বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের! অন্তত তাঁর প্রশাসনিক কার্যকলাপে তেমনই ইঙ্গিত। মহিলাদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে পশ্চিমবঙ্গের ‘মাতৃভূমি’ লোকাল ট্রেনের মতোই রাজধানী ঢাকায় ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নবগঠিত সরকার। ঢাকায় দ্রুতই মহিলা নিয়ন্ত্রিত বাস পরিষেবা চালু হতে চলেছে। সম্প্রতি ঢাকায় সচিবালয়ে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলামকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্পোরেশন (বিআরটিসি) নারীদের জন্য বিশেষ এই বাস পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। ঠিক হয়েছে, এই পরিষেবার আওতায় প্রতিটি বাস পরিচালনা করবেন তিন নারী।

মহিলাদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে পশ্চিমবঙ্গের ‘মাতৃভূমি’ লোকাল ট্রেনের মতোই রাজধানী ঢাকায় ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নবগঠিত সরকার। ঢাকায় দ্রুতই মহিলা নিয়ন্ত্রিত বাস পরিষেবা চালু হতে চলেছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশ বাস্তবায়নে বিআরটিসি ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই বাস সার্ভিসটি সম্পূর্ণভাবে নারীদের দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। বাসের স্টিয়ারিং ধরবেন দক্ষ নারী চালক এবং নারী কন্ডাক্টর ও নারী হেল্পারের মাধ্যমে এই পরিষেবা পরিচালিত হবে। দেশে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চালকদের অতিরিক্ত কর্মঘণ্টাকে দায়ী করেছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-র চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, আইন অনুযায়ী একজন চালক দিনে সর্বোচ্চ আট ঘণ্টা গাড়ি চালানোর কথা থাকলেও বাস্তবে অনেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত স্টিয়ারিংয়ে থাকছেন। এই অতিরিক্ত চাপের কারণেই দুর্ঘটনার ঝুঁকি ভয়াবহভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

Advertisement

বিআরটিএ চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সড়কের ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি যানবাহন চলাচল এবং পুরনো ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। তিনি বলেন, কোনো সড়কের সক্ষমতা ৫০ হাজার যানের হলে সেখানে ২ লাখের বেশি গাড়ি চলছে। এছাড়া স্ক্র্যাপিং নীতিমালা অনুযায়ী পুরনো যানবাহন পর্যায়ক্রমে সড়ক থেকে অপসারণ করা হচ্ছে। চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কড়াকড়ির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এখন থেকে পেশাদার লাইসেন্স পেতে হলে চালকদের বাধ্যতামূলক ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এই প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ হলেই কেবল তাঁরা বিআরটিএ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.