Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bangladesh

মেয়েকে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করে দেহ লোপাট! শাস্তি এড়াতে ধর্ষণ ও অপহরণের মামলা সাজাল বাবা, তারপর…

কিশোরীর নানা কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়ে ভয়ংকর পদক্ষেপ বাবার?

Advertisement
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৭:৫৩

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৭:৫৩

options
link
মেয়েকে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করে দেহ লোপাট! শাস্তি এড়াতে ধর্ষণ ও অপহরণের মামলা সাজাল বাবা, তারপর… zoom
প্রতীকী ছবি।

সৎ মেয়েকে গলায় ফাঁস দিয়ে খুনের পর দেহ লোপাট! শাস্তি এড়াতে ধর্ষণ ও অপহরণের মামলা সাজিয়েছিল বাবা। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না। অবশেষে পুলিশের জালে গুণধর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের ঢাকার অদূরে নরসিংদীতে। পুলিশি জেরার মুখে ধৃত অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে বলেই দাবি পুলিশের।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় ও দড়িকান্দীর মাঝামাঝি একটি সর্ষেখেত থেকে এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার করা হয়। সে সময় অভিযোগ উঠেছিল, ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় ১৫ বছর বয়সি ওই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে অপহরণ করে হত্যা করেছে দুষ্কৃতীরা। কারণ, কিছুদিন আগেই ওই কিশোরীকে প্রেমিক ও তার দলবল গণধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। কিন্তু তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই কিশেরীর সৎবাবাই তাকে হত্যা করেছে। পুলিশ সুপার মহম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফারুক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ওই কিশোরীর বাবা বলেন, কিশোরীর নানা কর্মকাণ্ডে তিনি বিরক্ত ছিলেন। সামাজিকভাবে বিভিন্ন সময়ে হেয় হয়েছিল। তাতেই মেয়ের প্রতি জন্মেছিল রাগ। সেই কারণেই নাকি খুনের সিদ্ধান্ত নেয় সে। “

Advertisement

পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকাণ্ডের ১০–১২ দিন আগে ওই যুবক বাড়িতে গিয়ে কিশোরীকে গণধর্ষণ করে। প্রধান অভিযুক্তের সঙ্গে নাকি প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিশোরীর। এর বিচার চাইতে মহিষাশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য আহম্মদ আলি দেওয়ানের কাছে যায় কিশোরী ও তার পরিবার। এই ঘটনাটি মানতে পারছিলেন না কিশোরীর সৎবাবা। সেই কারণেই খুনের ছক। গতকাল, শুক্রবার কিশোরীর সৎবাবা আশরাফ আলিকে আটক করে পুলিশ। তারপর প্রকাশ্যে আসে গোটা বিষয়।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রাতে ওই কিশোরীকে নিয়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী একজন সহকর্মীর বাড়িতে যাচ্ছিলেন আশরাফ। নির্জন সর্ষেখেতের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ওই কিশোরীকে পিছন থেকে তারই ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করেন। ওই সর্ষেখেতেই দেহ রেখে বাড়ি চলে যান আশরাফ। এরপর সে ধর্ষণ ও অপহরণের নাটক সাজায়। কিন্তু শেষরক্ষা হল না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.