সুকুমার সরকার, ঢাকা: সেনা অভিযানে মুখে মায়ানমার থেকে পলাতক রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশের মানুষকে ধন্যবাদ জানালেন রাষ্ট্রসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। নিরাপদ, স্বতঃস্ফূর্ত ও মর্যাদার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানোর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিতে ঢাকায় সফরে রয়েছেন মহাসচিব৷ ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলি তাঁকে অভ্যর্থনা জানান৷
[রাশিয়ায় কীসের আতঙ্ক তাড়া করছে ফুটবলপ্রেমীদের?]
ঢাকায় পৌঁছে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম জানান, রোহিঙ্গা সঙ্কট মেটাতে আন্তর্জাতিক মহলে এখনও আরও অনেক কাজ বাকি৷ আর সেজন্যই তিনি ও রাষ্ট্রসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশে এসেছেন৷ রাষ্ট্রসংঘ প্রধানের সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপ প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম যৌথভাবে রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন। গুতেরেস আগামিকাল সোমবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের জন্য বিশেষ বিমানে কক্সবাজার যাবেন৷
গুতেরেস কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন ও সেখানে মহিলাদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলি পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানা গিয়েছে৷ এদিনই সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরে তিনি সাংবাদিক বৈঠক করেন৷ বিশ্বব্যাংক গ্রুপ প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেন, ‘‘আমরা জানি, আমাদের আরও অনেক কিছু করতে হবে৷ আরও অনেক কাজ বাকি৷ তাঁদের জন্য আরও অনেক কিছু করা দরকার৷ আর সেই কারণেই আমরা এখানে এসেছি৷’’
[বিয়ের সাজেই বল পায়ে মাঠে নামলেন রুশ সুন্দরীরা, তারপর…]
বাংলাদেশের জন্য ‘কঠিন এক সময়ে’ এই সফরে জিম ইয়ং কিমকে ধন্যবাদ জানান মুহিত৷ তিনি বলেন, ‘‘পরিস্থিতি এখন কঠিন কারণ বাংলাদেশকে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার ভার বহন করতে হচ্ছে। বাংলাদেশের এক কোটি মানুষকেও ১৯৭১ সালে ভারতে শরণার্থী হতে হয়েছিল। সেটা কখনও ভোলার নয়। আর এ কারণেই আমরা শরণার্থীদের সাদরে গ্রহণ করেছি৷ কিন্তু আমরা অবশ্যই চাই, এই শরণার্থীরা নিরাপদে ও আত্মমর্যাদার সঙ্গে তাঁদের দেশে ফিরে যাক৷’’
সেনাবাহিনীর অত্যাচারের মুখে পড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন চার লক্ষের বেশি রোহিঙ্গা৷ গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছেন তাঁরা৷ গত বছর ২৫ আগস্ট রাখাইনে নতুন করে দমন অভিযান শুরুর পর রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন৷ সেই সংখ্যাটা প্রায় আরও সাত লক্ষ রোহিঙ্গা৷ রাষ্ট্রসংঘ ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ বলে ইতিমধ্যেই আখ্যা দিয়েছে৷
বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসায় কিম বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী মুহিতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেদিকে অগ্রসর হচ্ছে, তার প্রতি বিশ্বব্যাংকের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এ বছর আমরা বাংলাদেশকে রেকর্ড ৩ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছি৷ যা বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম অনুদান৷ আর এটা হচ্ছে আমাদের আস্থার স্পষ্ট ইঙ্গিত৷’’
সর্বশেষ খবর
-
আসল তৃণমূল কারা? ২১ জুলাইয়ের আগেই ভাগ্য নির্ধারণের ডেডলাইন চূড়ান্ত করলেন স্পিকার
-
ট্রাম্পের রক্তচক্ষু ফেল, মার্কিন মুলুকে জয়ী ফুটবল! গ্রুপ পর্বেই বিশ্বকাপে সর্বকালীন রেকর্ড দর্শক
-
‘প্লিজ ইস্তফা দিন’, জন্মদিনে শিক্ষামন্ত্রীকে ‘উপহার’ ককরোচ পার্টির, ১৪ মৃত পড়ুয়ার তালিকা পাঠাল কংগ্রেস
-
গুগলের ৪ কোটির চাকরি ছেড়ে খোলেন রেস্তরাঁ, প্রাক্তন টেককর্মীর বর্তমান আয় জানলে চমকে যাবেন!
-
রুশ মাটিতে রবীন্দ্র-জয়যাত্রা, কবিগুরুর হাতে আঁকা ছবির প্রদর্শনী শুরু মস্কোয়