জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: তাঁর মৃত্যুতে কেউ কাঁদবে না। পরিবার-পরিজন, আত্মীয়রা আনন্দ করবেন শেষযাত্রায়। বাজানো হবে ব্যান্ডপার্টি। এমনই ইচ্ছে ছিল ১০০ পেরিয়ে যাওয়া বৃদ্ধা ঊষরানি মণ্ডলের। তাঁর শেষ ইচ্ছা রাখলেন নাতি-নাতনি, অন্যান্যরা।
গাইঘাটা থানার বড় সোহানার বাসিন্দা বৃদ্ধা ঊষরানি মণ্ডল। মঙ্গলবার ভোরে ১১১ বছর বয়সে তিনি মারা গেলেন। তাঁর শেষযাত্রা চর্চায় থেকে গেল এলাকায়। কান্নার বদলে আনন্দে শেষ বিদায় দেওয়া হল ঊষারানিকে।
বৃদ্ধা মারা যাওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামের বাসিন্দারা তাঁকে দেখতে আসেন। আত্মীয়স্বজনরাও ওই বাড়িতে এসে উপস্থিত হন। শেষযাত্রার জন্য ব্যান্ড পার্টি ডাকা হয়। আবির খেলেন নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজনরা। বৃদ্ধাকে নিয়ে যাওয়া হয় শ্মশানে। গোটা রাস্তাই ব্যান্ডপার্টির বাজনার সঙ্গে আনন্দে নাচ চলতে থাকে। দাহকার্য শেষের পরে সকলেই ফিরে যান।
জানা গিয়েছে, ঊষরানির চার ছেলে ও এক মেয়ে। গত ৪০ বছর আগে মারা গিয়েছেন ওই বৃদ্ধার স্বামী। বেশ কিছু বছর আগে তাঁর দুই ছেলেও মারা গিয়েছেন। বৃদ্ধা ঊষরানি মণ্ডল পরিবারে রেখে গেলেন চার প্রজন্ম। নাতি-পুতিদের নিয়েই বাকি জীবনটা কাটিয়েছেন তিনি। অশীতিপর ওই বৃদ্ধা মাঝেমধ্যেই পরিবারের সদস্যদের বাড়ি দেখা যেতেন। তবে শেষ দিকে আর ঘর থেকে তেমন বেরোতেন না। তাঁকে দেখতেই সকলে বাড়িতে যেতেন। বৃদ্ধার মৃত্যুতে ঘর শুন্য হল। সেই কথা বলছেন সদস্যরা।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে স্বস্তির জয় মেসিহীন আর্জেন্টিনার, জিতলেও চোট চিন্তায় ব্রাজিল
-
বনগাঁ কাণ্ডে বারবার সমনেও গরহাজির! ‘ভুয়ো খবর’-এ আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মিমির
-
মধ্যরাতে মদন মিত্রের গাড়িতে হামলা, ছোঁড়া হল ডিম! বললেন, ‘মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখলাম’
-
তালশাঁস তো ঢের খেয়েছেন, কিন্তু লস্যি থেকে পায়েস, সেরা ৩ সুস্বাদু রেসিপি জানেন?
-
‘বেকার বলে স্ত্রী, সন্তানের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না স্বামী’, বলল দিল্লি হাই কোর্ট