Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Barasat Medical Hospital

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় বারাসত হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল, ১২ জনকে শোকজ

ওই ১২ জনের বিরুদ্ধে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখায় অনীহা ও নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে গাফিলতি প্রমাণিত হয়েছে।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৯:১৩

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৯:১৩

options
link
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় বারাসত হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল, ১২ জনকে শোকজ zoom
বারাসত হাসপাতালে ১২ জনকে শোকজ। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় বারাসত হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল। এছাড়াও নজরে পড়েছে একাধিক বেনিয়ম। তাই গাফিলতির অভিযোগে বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১২ জনকে শোকজের সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চারজন ওয়ার্ড মাস্টার, চারজন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন ইনফেকশন ইনচার্জ সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন ফেসিলিটি কোয়ালিটি ম্যানেজার। তাঁদের বিরুদ্ধে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখায় অনীহা ও নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে গাফিলতি প্রমাণিত হয়েছে।

বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি অভিজিৎ সাহা বলেন, “স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের একাধিক জায়গায় পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি চিহ্নিত করেন। দ্রুত সেই সমস্যা দূর করার পাশাপাশি দায়ীদের চিহ্নিত করে শোকজ করার নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ অনুসারেই তদন্ত করে ১২ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও জানান, বারাসত মেডিক্যাল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই পরিষেবা চলায় কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই ঘাটতি দূর করতে বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট তৈরি করে স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। শীঘ্রই সেই ডিপিআর পাঠানো হবে।

Advertisement

বৃহস্পতিবার সকালে বৃষ্টি মাথায় নিয়ে হাসপাতালে হাসপাতালে সারপ্রাইজ ভিজিট করেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বারাসত মেডিক্যালও পরিদর্শন করেন। হাসপাতালের বেহাল পরিকাঠামো দেখে তড়িঘড়ি পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “পরিষেবার গলদ খুঁজতে সব সরকারি হাসপাতালের প্রতি ওয়ার্ডে সিসিটিভি বসবে। গ্রামীণ, মহকুমা , জেলা হাসপাতালগুলিতেও একই ব্যবস্থা। মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন যাতে ব্যবহার না হয়, তা রুখতে প্রতি সপ্তাহে হাসপাতালগুলিতে চলবে স্বাস্থ্যভবনের চিরুনি তল্লাশি।” তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, “হাসপাতালে দালালদের ঠাঁই হবে না। হাসপাতালে চিকিৎসক, চিকিৎসা কর্মী, রোগী ও তাঁদের বাড়ির লোকদের জন্য বিশেষ ব্যান্ড বা ব্যাজের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সকলকে শনাক্তকরণের জন্য অ্যাইডেন্টিফিকেশন ব্যাজ দেবে স্বাস্থ্যভবন। বাকিরা দালাল।” সুতরাং হাসপাতালে দালালরাজ যে চলবে না, তা সাফ জানান মন্ত্রী।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.