Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Raiganj

রায়গঞ্জে যুব তৃণমূল নেতা খুনে গ্রেপ্তার ২, হত্যাকাণ্ডের কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা

সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান, সর্বদা হাসিখুশি তৃণমূল যুবনেতা খুনে অবাক প্রতিবেশী থেকে দলীয় নেতৃত্ব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৫:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৫:১৬

options
link
রায়গঞ্জে যুব তৃণমূল নেতা খুনে গ্রেপ্তার ২, হত্যাকাণ্ডের কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা zoom
শোকার্ত মা লীলাবতী ঘোষ ও বাবা প্রণব ঘোষ।

শংকর রায়, রায়গঞ্জ: বর্ষবরণ রাতে তৃণমূলের যুবনেতাকে গুলি করে খুনে গ্রেপ্তার ২। অভিযুক্তদের নাম শুভম পাল ও পিন্টু সাহা। দু’জনই মৃত নব্যেন্দু ঘোষের পূর্ব পরিচিত। একই পাড়ায় বাড়ি তাঁদের। ধৃতদের আজ, বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হয়েছে। পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, দেহের এদিন ময়নাতদন্ত হবে। সর্বদা হাসিখুশি মিশুকে তৃণমূল যুবনেতা খুনে অবাক প্রতিবেশী থেকে দলীয় নেতৃত্বও।

নব্যেন্দু ২১ ডিসেম্বর জেলা যুব সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। তিনি রায়গঞ্জের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। এলাকাতেই একটি মিষ্টির দোকান চালাতেন। বিয়ে করেছিলেন, তবে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাঁর এক সন্তান রয়েছে। বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে ৩১ ডিসেম্বর বাড়ির কাছেই পিকনিক করছিলেন নব্যেন্দু। রাত ১২টা নাগাদ বাড়ি ফিরে, ফের বেরিয়েছিলেন। কিন্তু কেন? নব্যেন্দু বাবা প্রাক্তন রেল কর্মী প্রণব ঘোষ বলেন, “১২টার পর বাড়িতে আসে। নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে, আমাকে প্রণামও করে। পিকনিক স্পটে মোবাইল ফোন ফেলে আসায়, তা আনতে যায়। ভোর ৪টে নাগাদ আমি জানতে পারি ছেলে আর নেই।”

Advertisement

নব্যেন্দু কলেজে পড়াশোনার সময় থেকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তবে তাঁর বাড়ির কেউই  প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। মৃত তৃণমূল নেতার দাদা জার্মানিতে থাকেন। ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ফিরছেন রায়গঞ্জে। নব্যেন্দুর দিদি আর্কিটেকচার পেশার সঙ্গে যুক্ত। তিনিও ফিরছেন বাড়িতে। এহেন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান নব্যেন্দু খুন হয়েছেন তা মানতে পারছেন না দলীয় নেতৃত্ব-সহ প্রতিবেশীরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, নব্যেন্দু খুবই মিশুক ও হাসিখুশি স্বভাবের ছেলে ছিলেন। দোকানে নতুন কোনও মিষ্টি তৈরি হলেই তা সবাইকে ডেকে দিতেন। এই রকম ছেলেকে কে বা কারা, কেন খুন করল তা নিয়ে ধোঁয়াশা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে। কথা বলতে বলতে পিছন থেকে নব্যেন্দুকে গুলি করা হয়। কিন্তু কেন খুন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পিকনিকে বন্দুক এল কী করে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনায় শুভম ও পিন্টু ছাড়া আরও কেউ জড়িত কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণকল্যাণী বলেন, “খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। ব্যক্তিগত কারণে খুন বলে মনে হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত করছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.