অর্ক দে, বর্ধমান: বড় সাফল্য পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের। আন্তঃরাজ্য নারী পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত দুজনকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাবালিকাকে রাজস্থানে পাচারের ঘটনায় এই ব্যক্তিরা জড়িত বলে অনুমান তদন্তকারীদের।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে গলসি থেকে এক নাবালিকা নিখোঁজের অভিযোগ মেলে। তদন্তে নেমে ডিসেম্বর মাসে জেলা পুলিশ রাজস্থান থেকে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে। রাজস্থানের পোশালিয়া গ্রাম থেকে রমেশ কুমার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তিনজনের নাম সামনে আসে। তাঁদের মধ্যেই মঙ্গলবার রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম রমেশ মিনা ও রহিম শেখ ওরফে খোকন। অন্যজনের খোঁজ চলছে।
রমেশ মিনা ও খোকন ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই নাবালিকাকে রমেশ কুমারের কাছে পাচার করেছিলেন বলে খবর। রমেশ ওই নাবালিকাকে রাজস্থান নিয়ে যান। রমেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বর্ধমানের মেমারির বাসিন্দা রমেশ মিনা, রহিম শেখ ও জগদীশের নাম জানতে পারে পুলিশ। এরপর থেকেই তাদের ধরতে ফাঁদ পাতা হয়। মঙ্গলবার রাতে বর্ধমান স্টেশন এলাকা থেকে রহিম শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। মেমারি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় রমেশ মিনাকে। বুধবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। আদালত ধৃতদের পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “প্রাথমিকভাবে রমেশ মিনা ও রহিম শেখ মূলচক্রী বলে মনে করা হচ্ছে। আন্তঃরাজ্য নারীপাচারের সঙ্গে যুক্ত ধৃতরা। আরও একজনের খোঁজে তদন্ত চলছে।”
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে