Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

মহারাষ্ট্রে কীভাবে হেনস্তা? অভিষেকের পাশে দাঁড়িয়ে দুঃসহ যন্ত্রণার বিবরণ ২ পরিযায়ী শ্রমিকের

সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তাঁরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ২০:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ২০:১৫

options
link
মহারাষ্ট্রে কীভাবে হেনস্তা? অভিষেকের পাশে দাঁড়িয়ে দুঃসহ যন্ত্রণার বিবরণ ২ পরিযায়ী শ্রমিকের zoom
দক্ষিণ দিনাজপুরে পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: রতন দাস

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপরাধ শুধু বাংলা বলা। আর সে কারণে বাংলাদেশি তকমায় জেলের দমবন্ধকর ছোট্ট কুঠুরিতে দিনযাপন। ঠিকমতো পাননি খাবার। পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ নেই। একমাত্র রোজগেরে জেলবন্দি থাকায় পরিজনেরাও পাননি টাকা। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) পাশে দাঁড়িয়ে দুঃসহ যন্ত্রণার বিবরণ দিলেন বালুরঘাটে দুই পরিযায়ী শ্রমিক। মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ শাসক শিবিরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।

মহারাষ্ট্রে জেলবন্দি থাকা অসিত সরকার বলেন, “৭ মাস মহারাষ্ট্রে জেলে ছিলাম। কী কষ্ট করেছি তা একমাত্র আমরা জানি। বাড়ির সকলে খুব কষ্ট করেছি। সাত মাস ধরে জেল খাটলাম। বের করার অবদান তৃণমূলের। এই অবদান ভোলা যাবে না। যারা ভুলবে তারা অমানুষ। বাড়ি ফিরে বউ, বাচ্চার হাসি দেখে ভালো লাগল। মমতা ও অভিষেককে ধন্যবাদ। এঁদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।”

Advertisement

অপর পরিযায়ী গৌতম বর্মনেরও অভিজ্ঞতা ঠিক একইরকম। তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্রের জেলেপাড়ায় কাজ করতে গিয়েছিলাম। পুলিশের কাছ থেকে ফোন করেছিলাম। আমার স্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের কাছে গিয়েছিল। কোনও কাজ হয়নি। তাঁকে সুকান্ত বলেন, জেলের মেয়াদ শেষ হলে এমনিই বেরিয়ে আসবে। তারপর ৩ মাস আর কোনও খোঁজ নেই। ৩ মাস পার হওয়ার পর তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করি। অভিষেক স্যর জেল থেকে ছাড়ানোর ব্যবস্থা করেন। আমরা বিজেপির কাছ থেকে কোনও সাহায্য পাইনি। তৃণমূলের তরফে খাওয়াদাওয়া, জেলমুক্তির ব্যবস্থা করা হয়।” বলে রাখা ভালো, জেল থেকে ফেরা গৌতম দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের উদয় গ্রাম পঞ্চায়েতের পুলিন্দার বাসিন্দা। তিনি বিজেপির বুথ সহ সভাপতিও ছিলেন। তারপরেও বিজেপি নেতৃত্বের কাছ থেকে কোনও সহযোগিতা পাননি তিনি।

পরিযায়ী শ্রমিকদের একথা শুনে সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্রের সরকার বিজেপি। সাংসদ বিজেপির। কিছু করতে পারি বা না পারি, জনপ্রতিনিধি হিসাবে কমপক্ষে একবার ফোন করে বলব যে বাংলাদেশি বলে যাঁকে জেলে ঢুকিয়েছেন তাঁকে ছাড়ুন। কী ভুল করেছে একবার দেখো। আপনি খোঁজ নিতে পারেন না একবার ফোন করে? তাতে তো ট্যাক্স লাগে না। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তিনি। তিনি বাংলার জন্য কখনও এক পয়সা আনেননি। এখানে তৃণমূল-বিজেপি কীসের? রাজনীতি তো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য করেন।” সুকান্তকে ‘স্টপেজ মিনিস্টার’ বলে তোপও দাগেন অভিষেক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.