সঞ্জিত ঘোষ, নদিয়া: চতুর্থ দফার ভোটের বাকি নেই ২৪ ঘণ্টাও। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। তার আগেই রানাঘাট লোকসভার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার সীমান্তবর্তী ভাজনঘাট গ্রামে বোমা উদ্ধার। রবিবার সকালে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির পাশ থেকে বস্তায় বন্দি বোমা উদ্ধার হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের দুস্কৃতীরা ভোটারদের ভয় দেখাতে রাতের অন্ধকারে বোমা রেখেছে। এলাকায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় এক গৃহবধূ বিজেপি নেতা দিবাকর রায়ের বাড়ির উঠোনে একটি মুখবন্ধ বস্তা দেখতে পান। সন্দেহ হতেই দিবাকর ও আশেপাশের লোকদের ডেকে আনেন। বস্তার মুখ খুলে তাঁরা দেখেন রয়েছে তাজা বোমা। খবর দেওয়া হয় কৃষ্ণগঞ্জ থানায়। পুলিশ বোমা উদ্ধার করে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়। যদিও ওই বিজেপি নেতার দাবি, নির্বাচনের (2024 Lok Sabha Election) আগের দিন এই ঘটনা বিরোধীদের চক্রান্ত।
[আরও পড়ুন: মোদির সফরের মাঝেই ফাঁস সন্দেশখালি স্টিং পার্ট-২, ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কে? নীল নকশা কার?]
ওই গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির (BJP) শক্ত ঘাঁটি। তাই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভয় দেখিয়ে বিজেপিকে কোণঠাসা করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে দাবি তাঁর। দিবাকর বলেন, “ভোটের আগের দিন ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল। আমার বাড়িতে বোমা রেখে ফাসানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এগুলো করে কিছু লাভ হবে না। আমি চাই যারা এই কাজ করেছে তাদের কড়া শাস্তি হোক।” বিজেপির কৃষ্ণগঞ্জ মণ্ডল ২-য়ের সভাপতি বিষ্ণুচরণ ঘোষ, “এখানে ক্রমাগত সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে। তার পরেও মানুষকে আটকাতে না পেরে গতকাল রাতে বোমা রেখে গিয়েছে তৃণমূল। এই এলাকার মানুষ যাতে ভয়ে ভোট দিতে না পারে তার জন্য সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এসব করে কিছু হবে না। আগামীকাল মানুষ ভোট বাক্সে তার প্রমাণ দেবে।” এলাকার এক গৃহবধূ জানাচ্ছেন, এই রকম ঘটনা তারা আগে দেখনি। যারা এই কাজ করেছে তাদের শাস্তি দাবি করছেন তিনি।
[আরও পড়ুন: মাছি গলার সুযোগ পাবে না, সংসদের নিরাপত্তায় নয়া ব্লু প্রিন্ট শাহের মন্ত্রকের]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!