Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Purulia

ঝালদা পুরসভা: দলবদলের পর ‘নিখোঁজ’ ৪ পুর প্রতিনিধি! ‘অপহরণ’ করে তৃণমূলে যোগের অভিযোগ

চার কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁদের ফোন বন্ধ ছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩, ০৮:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩, ০৮:৫৯

options
link
ঝালদা পুরসভা: দলবদলের পর ‘নিখোঁজ’ ৪ পুর প্রতিনিধি! ‘অপহরণ’ করে তৃণমূলে যোগের অভিযোগ zoom
Advertisement

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ঝালদার পুর রাজনীতিতে আবারও ‘অপহরণ’-র অভিযোগ। গত বুধবার রাতে পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে তৃণমূলে যোগ দেওয়া ঝালদা পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর পিন্টু চন্দ্রকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন তাঁর স্ত্রী শ্যামলী চন্দ্র। তিনি বলেন,”ওই যোগদানের দিন স্বামী ঘর থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি। তখন থেকেই তার মোবাইল অফ। আমার ধারণা তাকে কোথাও আটকে রাখা হয়েছে। ‘অপহরণ’ করা হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেন, তারা বরাবর কংগ্রেস করে এসেছেন। দুর্দিনে দলকে পাশে পেয়েছেন। এই দলের সঙ্গেই তারা থাকবেন। একই কথা বলেছেন ওই কাউন্সিলরের মা।

অভিযোগ ওই যোগদানের পর পুরপ্রধান শিলা চট্টোপাধ্যায়কে ঝালদা শহরে দেখা গেলেও বাকি চার কাউন্সিলরকে এই শহরে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ গত তিনদিন ধরে দেখা যাচ্ছে না। এই কারণেই ‘অপহরণ’ তত্ত্ব সামনে এসেছে। তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ঝালদা শহর তৃণমূল সভাপতি চিরঞ্জীব চন্দ্র। তার কথায়, “এই ধরনের অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই । যাঁরা যোগদান করেছেন তাঁরা স্বেচ্ছায় তৃণমূলে আসেন। বিরোধীরা অযথা কুৎসা করছেন।” কিন্তু পুরুলিয়া জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাতো জানান, “ওই কাউন্সিলরকে কোথাও আটকে রাখা হয়েছে। এই সংস্কৃতি আগে ঝালদায় ছিল না। তৃণমূল এইসব শুরু করেছে। সাধারণ মানুষ এর জবাব দেবেন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: পুজোর আগে যেন কাজ না যায়! অবৈধ বাজি কারখানার শ্রমিকদের ‘লাইসেন্স’ রাজ্যের]

কংগ্রেস কাউন্সিলর পিন্টু চন্দ্র।

এদিন পিন্টু চন্দ্র-সহ তৃণমূলে যোগ দেওয়া চার কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁদের ফোন বন্ধ ছিল। ফলে এই বিষয়ে তাদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পিন্টুর স্ত্রী শ্যামলী দেবী বলেন, “এই বিষয়টি আমি কংগ্রেস নেতৃত্বকে জানিয়েছি। তাঁরা সমস্ত কিছু দেখছেন বলে জানিয়েছেন।” অন্যদিকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া পুরপ্রধান শিলা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সেদিন আমরা যাঁরা তৃণমূলে এসেছি তাঁরা নিজেদের ইচ্ছাতেই ঘাসফুলের পতাকা তলে আসেন। তবে ওঁরা এখন কোথায় আছেন আমার জানা নেই।” নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলর মিঠুন কান্দুর মতই পিন্টু চন্দ্রের শাসক দলে যোগদানের বিষয়টি ঝালদা পুর শহরের মানুষজনদের কাছে প্রশ্নচিহ্ন হয়ে ঝুলছে।

[আরও পড়ুন: মধ্যরাতে রাজ্যপালের গোপন চিঠি মুখ্যমন্ত্রী ও দিল্লিকে! কী লেখা আছে? ছড়াচ্ছে রহস্য]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.