১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  শনিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

চিন্তা বাড়াচ্ছে সেই কলকাতা, তবে স্বস্তি দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিডজয়ীর গ্রাফ

Published by: Paramita Paul |    Posted: November 4, 2020 8:19 pm|    Updated: November 4, 2020 10:53 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে একটানা ঊর্ধ্বমুখী করোনা (Corona Virus) সংক্রমণের গ্রাফ। তবে এমন পরিস্থিতিতেও রাজ্য প্রশাসনকে সাহস জোগাচ্ছে করোনাজয়ীর সংখ্যা। বুধবারও বাংলায় (West Bengal) একদিনে করোনা আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেকটাই বেশি। একদিনে কোভিড জয় করেছেন চার হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে এমন আবহেও কোভিডবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর।

আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে গড়াতে পারে লোকাল ট্রেনের চাকা। তার আগে কিন্তু মোটেও স্বস্তি দিচ্ছে না বাংলার করোন চিত্র। এদিনের স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, একদিনে বাংলায় কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৮৭ জন। সর্বাধিক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে কলকাতা। উদ্বেগ বাড়িয়ে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৪ জন। এর পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা (৮৭৮)। উত্তরে শতাধিক করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে দার্জিলিং, কোচবিহার ও মালদায়। এদিন রাজ্যে মোট করানা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৭৬ জন।

[আরও পড়ুন : রোজ অফিস টাইমে চলতে পারে ২০০টি লোকাল ট্রেন, রাজ্যের প্রস্তাবে রাজি রেল]

এমন পরিস্থিতিতেও আশা দেখাচ্ছে কোভিডজয়ীরা। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সের উঠেছেন ৪ হজার ১২৯ জন। ফলে রাজ্যে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়াল ৩৬ হাজার ২৪৬ জন। উলটোদিকে কোভিডজয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৬২ জন। শতাংশের নিরিখে সুস্থতার বেড়ে হল ৮৮.৮৮। 

তবে কিছুতেই কমছে না রাজ্যে করোনায় মৃত্যুহার। একদিনে বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জন করোনা সংক্রমিতের। ফলে রাজ্যে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ৬৮ জন। এদিনও সর্বাধিক মৃত্যু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগণায় (১৬)। এর পরে রয়েছে কলকাতা (১২)। 

[আরও পড়ুন : জেলা সভাপতি ‘তৃণমূলের দালাল’, পূর্ব বর্ধমানে প্রকাশ্যেই কাদা ছোঁড়াছুড়ি বিজেপি নেতাদের]

পর্যায়ক্রমে আনলকের হাত ধরে ছন্দে ফিরছে রাজ্য। কয়েকদিনের মধ্যে লোকাল ট্রেনও চালু হয়ে যাবে। কিন্তু এ রাজ্যের উর্ধ্বমুখী করোনার গ্রাফ চিন্তা বাড়াচ্ছে প্রশাসনের। একে উৎসবের মরশুম, উপরন্তু লোকাল ট্রেন চালু হলে শহরে মানুষের আনাগোনা বাড়বে। ফলে সে সময়ই কলকাতার দৈনিক সংক্রমণ কোথায় দাঁড়াবে, তা নিয়ে চিন্তায় গবেষকরা। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement