সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের মরশুমে রীতিমতো চোখ রাঙাচ্ছে মারণ করোনা (Coronavirus)। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৪, ৩৯৮ জন। একদিনে করোনার বলি হয়েছেন ১০ জন। অর্থাৎ শনিবারের তুলনায় সামান্য হলেও কমেছে মৃত্যু। এদিনই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিজেপি প্রার্থী আনন্দময় বর্মন।
স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ৪, ৩৯৮ জনের মধ্যে ১,১০৯ জনই কলকাতার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এদিনও প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানকারও একহাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এদিন। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১,০৪৭ জন। তৃতীয় স্থানে হাওড়া। একদিনে নতুন করে করোনা থাবা বসিয়ে সেখানকার ২৯৩ জনের শরীরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা রয়েছে চতুর্থ স্থানে। একদিনে আক্রান্ত সেখানকার ২৮৮ জন। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের করোনা গ্রাফও রীতিমতো ভয় ধরিয়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের। তবে এদিন নতুন আক্রান্তের হদিশ মেলেনি কালিম্পংয়ে। যদিও বাকি সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন সংক্রমিতের হদিশ। ফলে রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬, ১৪, ৮৯৬।
[আরও পড়ুন: কমিশনের অনুমতি, শীতলকুচিতে গুলিকাণ্ডে হতাহতদের আর্থিক সাহায্য দেবে রাজ্য]
একদিনে করোনা রাজ্যের যে ১০ জনের প্রাণ কেড়েছে তাঁদের মধ্যে পাঁচজনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা। একদিনে মৃত্যু হয়েছে সেখানকার ৩ জনের। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় করোনার বলি একজন। ফলে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০, ৪০০। একদিনে করোনাকে পরাস্ত করে ঘরে ফিরেছেন ১,৭৭৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৬৩৭ জন কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের পাশাপাশি সুস্থতার নিরিখেও প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনার বলি ৫, ৮০, ৫১৫। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪০, ৩৭২ জনের।
[আরও পড়ুন: কপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে বাতিল তিনটি সভা, ভিডিও টুইট করে ক্ষমা চাইলেন দেব]
সর্বশেষ খবর
-
মূত্রনালিতে আটকে হেয়ার পিন! মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে নজিরবিহীন অস্ত্রোপচার বছর তেইশের যুবকের
-
মেয়ে ‘খুনি’, হৃদরোগে আক্রান্ত সিয়ার বাবা! মা বলছেন, ‘ওকে মৃত্যুদণ্ড দিক…’
-
দুর্যোগ কাটতেই তারাতলায় ফের উদ্ধারকাজ শুরু, নাইট ভিশন ক্যামেরায় চলছে তল্লাশি
-
‘৫ জন থাকলেও ধর্মতলায় যাব’, ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় ঘোষণা মমতার
-
সিএবিতে ফের নাটক! অ্যাপেক্স সদস্যের আচমকা ইস্তফা চাপ বাড়াল সহ-সভাপতির উপর