সঞ্জিত ঘোষ, নদিয়া: ফের পুলিশের জালে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। শনিবার সকালে নদিয়ার হাঁসখালি থানার সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের। ধৃতদের মধ্যে চারজন পুরুষ ও তিন মহিলা। দালালের মাধ্যমে ধৃতরা বাংলাদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সেই কথাই জানা গিয়েছে। ধৃতদের এদিনই আদালতে তোলা হয়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পর সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। বাংলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক গ্রেপ্তার হতে থাকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা। গত মাসের শেষ দিকে কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটক মারা গিয়েছেন। পালটা প্রত্যাহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারত। এদেশে থাকা পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের খোঁজে ফের তল্লাশি বাড়ানো শুরু হয়। গত বেশ কয়েক দিন ধরেই নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী এলাকায় একাধিক অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছে। ফের শনিবার পাকড়াও করা হল বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী।
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে গত তিন বছর আগে ওই সাতজন ভারতে এসেছিল বলে খবর। ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করে বিভিন্ন জায়গায় তারা থাকছিল বলে খবর। আজ শনিবার সকালে নদিয়ার হাঁসখালি থানার সীমান্ত এলাকায় ওই সাতজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তাদের দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। খবর পেয়ে হাঁসখালি থানার পুলিশ সেখানে যায়। ওই সাতজনকে পাকড়াও করে চলে জিজ্ঞাসাবাদ। তাদের থেকে কোনও বৈধ কাগজপত্রও পাওয়া যায়নি। পরে জানা যায়, তাদের বাড়ি বাংলাদেশে। দালালের মাধ্যমে এদেশে এসে তারা থাকছিল। এদিন দালালের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার চেষ্টা করছিল। আসল পরিচয় জানার পরেই ওই সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারা তাদের সীমান্ত পেরিয়ে ওপাড়ে পাঠানোর চেষ্টা করছিল? তাদেরও খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে আরও অভিযান চলবে। সেই কথা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক