ধীমান রায়, কাটোয়া: বয়স ৭০ পার হয়ে গিয়েছে। অশক্ত শরীর। তবু দু’হাতের বিরাম নেই। এই বয়সেও সারাদিনে প্রায় দু’হাজার মাটির ভাঁড় তৈরি করেন গুসকরার পাতিরাম পণ্ডিত। প্রদীপও প্রায় তাই। এক সপ্তাহের মধ্যেই কালীপুজো ও দীপাবলি উৎসব। তাই মাটির প্রদীপ তৈরিতে চূড়ান্ত ব্যস্ততা পাতিরামের।
গত বছরের থেকেও এবছরে চাহিদা বেশি রয়েছে মাটির প্রদীপের। এমনটাই জানিয়েছেন মৃৎশিল্পী পাতিরাম। একা হাতে কাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে না আর। একে বয়সের ভার। তার উপর আবার বরাতও কিছু কম নয়। সব মিলিয়ে নাজেহাল অবস্থা হতে হত। আর তাই কয়েকজন সহযোগী শিল্পীকে ভিনরাজ্য থেকে ভাড়া করে এনেছেন তিনি। গুসকরা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় রয়েছেন ৫-৬টি কুমোর পরিবার। যাদের পেশা মূলত মাটির ভাঁড় ও অন্যান্য সামগ্রী তৈরি করা। গুসকরা শহর-সহ আউশগ্রাম এলাকার বিভিন্ন গ্রামে যায় এই পরিবারগুলির তৈরি করা মাটির জিনিসপত্র। তবে মাটির প্রদীপ তৈরি করেন শুধু পাতিরামের পরিবারই।
[ আরও পড়ুন: ‘সরকার ছুটিতে যেতে পারে না’, ধামাখালির বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল ]
পাতিরাম পণ্ডিত বলেন, “সারাবছর মাটির ভাঁড় তৈরি করি। কিন্তু দীপাবলির সময় আমরা মাটির ভাঁড় তৈরির পাশাপাশি প্রদীপ তৈরি করি। কয়েক বছর আগে পর্যন্ত মাটির প্রদীপের চাহিদা তেমন ছিল না। গত দু-একবছর দীপাবলির সময় মাটির প্রদীপের চাহিদা বেড়েছে। এবছর বাজার অনেকটাই ভাল।” পাতিরাম জানিয়েছেন, তিনি নিজে সারাদিনে প্রায় দু’হাজার মাটির ভাঁড় তৈরি করেন। প্রদীপও তৈরি করেন প্রায় ওই একই সংখ্যার। তবে এইসময় কাজের চাপ বেশি থাকায় কয়েকজন সহযোগী মৃৎশিল্পীর সাহায্য নিচ্ছেন। সবাই মিলে কাজ করছেন পুরোদমে। দীপাবলি তো এসেই গেল। এর মধ্যে জোগান দিতে হবে না!
[ আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে ফের বর্ষণের পূর্বাভাস, বৃষ্টিতে মাটি হতে পারে দিওয়ালির আনন্দ! ]
সর্বশেষ খবর
-
পুরদলেও ফাটল, আইনি জটের আশঙ্কা, মমতার পছন্দে মেয়র বাছতে ‘সই’ দিলেন না অধিকাংশ কাউন্সিলর!
-
ছবির দেশ, কবিতার দেশে রূপকথা! ফরাসি ওপেনে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের স্বাদ জাভেরেভের
-
পাহাড় থেকে সমতল, ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা! আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বাসিন্দারা
-
‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের
-
শ্বাস যন্ত্রে কিছুতেই ফুঁ দিতে পারছেন না মদ্যপ! চড় কষালেন পুলিশকর্মী, ভিডিও ঘিরে বিতর্ক