Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Hooghly

হুগলির তৃণমূলকর্মী খুনে ৮ বামকর্মীকে যাবজ্জীবন, মৃতের স্ত্রীকে আর্থিক সাহায্যের নির্দেশ আদালতের

২০১০ সালে ছেলের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার দিন খুন হন তৃণমূলকর্মী ক্ষুদিরাম হেমব্রম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১৮:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১৮:৪৭

options
link
হুগলির তৃণমূলকর্মী খুনে ৮ বামকর্মীকে যাবজ্জীবন, মৃতের স্ত্রীকে আর্থিক সাহায্যের নির্দেশ আদালতের zoom

সুমন করাতি, হুগলি: তৃণমূলকর্মী খুনে ৮ বামকর্মীকে যাবজ্জীবন সাজা দিল চুঁচুড়া আদালত। সঙ্গে তাদের অর্থ জরিমানার করেছেন অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক সঞ্জয়কুমার শর্মা। পাশাপাশি, মৃত তৃণমূলকর্মীর স্ত্রীকে পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মামলার সরকারি আইনজীবী চণ্ডী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আইনের লড়াইতে পরিবার ন্যায় বিচার পেয়েছে।”

২০১০ সালে ছেলের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার দিন খুন হন তৃণমূলকর্মী ক্ষুদিরাম হেমব্রম। ১৮ মার্চ তাঁকে খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই দিন মাঠে কাজ করে বন্ধু তপন রুইদাসের বাড়ি গিয়েছিলেন ক্ষুদিরাম। তারপর আর বাড়ি ফেরননি তিনি। পরদিন নদীর ধারে বস্তাবন্দী দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ ওঠে রাজনৈতিক কারণে ক্ষুদিরামকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। অভিযোগ জানানো হয় হুগলির গুড়াপ থানায়।

Advertisement

তদন্তে নেমে লালু হাঁসদা, লক্ষ্মীরাম বাস্কে, লক্ষ্মীনারায়ণ সোরেন, নমা টুডু, সিদ্ধেশ্বর মালিক, সনাতন মালিক, রবি বাস্কে, গণেশ মালিক, অমর রুইদাস ও নেপাল মালিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন-সহ একাধিক মামলায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। মামলা চলাকালীন দুই অভিযুক্ত অমর রুইদাস ও নেপাল মালিকের মৃত্যু হয়। ৮ জন জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন ঠিকই তবে তাদের দোষী সাব্যস্ত করেন চুঁচুড়া আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক সঞ্জয়কুমার শর্মা। আজ, তাঁদের সাজা ঘোষণা হল।

মামলার সরকারি আইনজীবী চণ্ডী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই মামলার তদন্তকারী অফিসার নির্দিষ্ট সময়ে চার্জশিট জমা দেওয়ায় অভিযুক্তরা কেউ রেহাই পায়নি। মৃতের স্ত্রীকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। হুগলির পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন বলেন, “আদালতের রায় আইন ও পুলিশ প্রশাসনের উপর আস্থা মজবুত করেছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.