সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের প্রাণ কাড়ল ডেঙ্গু। এবার সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হল বারাকপুরের বাসিন্দা জীবন দাসের। সূত্রের খবর, মৃতের ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গুর উল্লেখ রয়েছে।
উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুরের বাসিন্দা বছর ৬৪-এর জীবন দাস। বেশ কয়েকদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে জ্বর না সারায় সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে তাঁর। হাসপাতালে শুরু হয় চিকিৎসা। এরপর রবিবার রাতে মৃত্যু হয় ওই প্রৌঢ়ের। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই ডেঙ্গুর বলি হন কলকাতার ২ জন। মৃতদের মধ্যে একজন নিউটাউন ও অন্যজন শ্যামবাজারের বাসিন্দা ছিলেন। কয়েকদিনের জ্বরের পরই মৃত্যু হয় তাঁদের। দু’জনেরই ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ ছিল ডেঙ্গুর।
প্রায় ৬ মাস ধরে রাজ্য জুড়ে থাবা বসাতে শুরু করেছে ডেঙ্গু। ক্রমশই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। চরিত্র বদলে প্রাণহানি ঘটাচ্ছে মশাবাহিত এই রোগ। ডেঙ্গু রোধে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে পুরসভাগুলি। নিয়মিত এলাকায় সাফাই অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রচার কর্মসূচির মাধ্যমে সচেতন করা হচ্ছে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের। জমা জলের হদিশ পেলে প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি ঢুকে পরিষ্কার করা হচ্ছে পুরসভার তরফে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ছবিটা পালটাচ্ছে না। তবে কি ফাঁক থেকে যাচ্ছে প্রচারে? নাকি নাগরিকদের সচেতনতার অভাবেই এই পরিণতি? তা ভাবাচ্ছে।
[আরও পড়ুন: হনুমানের কামড়ে ছিঁড়ে পড়ল কান, তা নিয়েই হাসপাতালে ছুটল গুরুতর জখম ছাত্র]
শীতের শুরুতেও কেন বিদায় নিচ্ছে না ডেঙ্গু, তা নিয়ে চিন্তিত চিকিৎসকরাও। আবার ডেঙ্গুর পাশাপাশি রাজ্যে হানা দিয়েছে স্কাব টাইফাসও। দু’য়ের প্রকোপে ক্রমশই বাড়ছে আতঙ্ক। আবহাওয়া বদলের জেরে সামান্য জ্বর হলেও আগাম সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সুস্থ থাকতে চাইলে বেশি করে জল খাওয়ার কথাও বলছেন তাঁরা।
[আরও পড়ুন: অনুপ্রেরণা ‘দিদিকে বলো’,সমস্যা সমাধানে একই ধাঁচে জনসংযোগে পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার]
সর্বশেষ খবর
-
‘চটিচাটা’ বনাম ‘বুটচাটা’, কল্যাণ ও রাজ্যের এজির বাকবিতণ্ডায় হাই কোর্টে তুলকালাম
-
ব্রিগেডে ৩ লক্ষাধিক ভক্তের সমাগমে হবে রামকথা! গীতাপাঠের পর নতুন কর্মসূচি শহরে
-
পুজোর চারদিন ‘স্পেশাল ক্যান্টিন’, দরিদ্রদের মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ উদ্যোগ কৌস্তভের
-
অমৃতার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সইফের জীবনে ‘ওগো বিদেশিনী’! ‘ঘর ভাঙানি’র ভূমিকায় করিনা?
-
গান্ধীর সঙ্গে হাজতবাস, ১০০ বছর বয়সেও বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েছেন কলকাতার বিপ্লবী সইফউদ্দিন