দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: বৈদ্যবাটি পুরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা দেড় বছরের এক শিশুকে টিকা দিতে গিয়ে ভেঙে ফেললেন সূচ। ভাঙা সূচের অংশ শিশুটির শরীরেই থেকে যায়। পরে শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রোপচার করে শিশুটির শরীর থেকে সূচ বের করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। শিশুটির দাদু সুকান্ত সাহা বৈদ্যবাটি পুরসভার পুর প্রশাসক অরিন্দম গুঁইয়ের কাছে একটি লিখিত অভিযোগও করেছেন।
বৈদ্যবাটি নতুনপাড়ার দেড় বছরের মেয়ে চন্দ্রিকা সাহাকে নিয়ে মা কানন দেবী পুরসভার মাতৃসদনে ডিটিপি টিকা দিতে নিতে যান। কর্তব্যরত এক সিস্টার শিশুটির হাতে ঠিকঠাক ইঞ্জেকশান দেন। কিন্তু বিপত্তি ঘটে শিশুটির থাইতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার সময়। ইঞ্জেকশনের সূচ ভেঙে শরীরে ঢুকে যায়। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে শিশুটি। কান্নাকাটি করতে থাকে খুদে। এরপর স্বাস্থ্যকর্মীরা চেষ্টা করেও সূচ বের করতে পারেনি। তাকে ওয়ালশ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচার করে সূচ বের করেন।
[আরও পড়ুন: গ্রামবাসীদের আগে আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকা পেলেন কর্মাধ্যক্ষ, প্রতিবাদে বিক্ষোভ স্থানীয়দের]
শিশুটির পায়ে সাতটি সেলাই হয়েছে। শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, মাতৃসদনের স্বাস্থ্যকর্মীরা তাঁদের সঙ্গে কোনওরকম সহযোগিতা করেননি। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা পুর প্রশাসককে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। বৈদ্যবাটির পুর প্রশাসক অরিন্দম গুঁই জানিয়েছেন এটা নিছক দুর্ঘটনা। তিনি ওই শিশুটির চিকিৎসার ব্যাপারে সমস্ত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সরকারি হাসপাতাল কিংবা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিরুদ্ধে বারবার গাফিলতির অভিযোগ সামনে এচূসেছে। এই ঘটনার পর বৈদ্যবাটি পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিযোগের তালিকায় নাম জুড়ল।
[আরও পড়ুন: এসি বিকল হওয়ায় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পচছে দেহ, দুর্গন্ধে টেকা দায় রোগীদের]
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যপালের দিকে পিছন ঘুরে দাঁড়ানোর ‘শাস্তি’! ৪ বছর ধরে কুচকাওয়াজে ব্রাত্য মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়া
-
সাহগেল হোসেনের ফ্ল্যাটে উদ্ধার সোনা, বিপুল সম্পত্তির নথি! আটক অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে নদিয়ায় জোড়া খুন! গুলিতে ঝাঁঝরা কংগ্রেস নেতা এবং তাঁর ছেলে
-
অন্ধপ্রদেশ থেকে ২০০ আইফোন চুরি! বাংলাদেশে পাচারের আগেই ফরাক্কায় ধৃত চার কীর্তিমান
-
‘ডিম থেরাপি’ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলল এবিভিপি, উপাসনার উপর হামলা নিয়ে কী বক্তব্য?