সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপি (BJP) নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। যদিও অল্পের জন্য প্রাণের বেঁচে যান নৈহাটি পুরসভার বিদায়ী পুরপ্রধান তথা বিজেপি নেতা গণেশ দাস। তবে রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায় বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের নেতার। ঠিক কোন কারণে হামলার শিকার হওয়া ব্যক্তিকেই থানায় নিয়ে যাওয়া হল, সেই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি নেতৃত্ব। পুলিশের ভূমিকায় রীতিমতো বিরক্ত তারা।
ঠিক কী ঘটেছিল? শনিবার রাতে নৈহাটি পুরসভার বিদায়ী পুরপ্রধান তথা বিজেপি নেতা গণেশ দাস খবর পান দলীয় এক কর্মী জখম হয়েছেন। তিনি জানতে পারেন বীজপুরের বালিভাড়া এলাকার ভ্রাতৃসংঘ ক্লাবে ওই বিজেপি কর্মীকে কে বা কারা লোহার রড দিয়ে মারধর করেছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যান তিনি। আক্রান্ত কর্মীকে উদ্ধার করেন। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বীজপুর থানায় যান গণেশ দাস। অভিযোগও দায়ের করেন তিনি।
[আরও পড়ুন: ’বাণিজ্য সম্মেলন বুঝতে বাজেট বই পড়ুন’, রাজ্যপালকে কটাক্ষ সৌগতর]
এরপর জখম ওই কর্মীকে নিয়ে থানা থেকে ফিরছিলেন গণেশ দাস। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। কোনওক্রমে প্রাণ বাঁচিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। তবে বিজেপি নেতার দাবি, গভীর রাতে পুলিশ তাঁর বাড়িতে আসে। আটক করে থানাতেও নিয়ে যাওয়া হয় গণেশ দাসকে। যদিও রবিবার সকালেই ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। কেন পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করে বিজেপি নেতাকে থানায় নিয়ে গেল, সেই প্রশ্নে সরব গেরুয়া শিবির। যদিও পুলিশের তরফে বিজেপি নেতাকে আটকের দাবি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছিল, বলেই জানিয়েছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: ফের রেকর্ড ভাঙল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, রাজ্যে মোট মৃত্যু দু’হাজারেরও বেশি]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন