Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
বিজেপি

বাড়ি ফেরার পথে আউশগ্রামে প্রহৃত বিজেপি নেতা-সহ ৩, কাঠগড়ায় তৃণমূল

অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২০, ১৫:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২০, ১৫:৩৪

options
link
বাড়ি ফেরার পথে আউশগ্রামে প্রহৃত বিজেপি নেতা-সহ ৩, কাঠগড়ায় তৃণমূল zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: দলীয় কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে (Ausgram) ফের আক্রান্ত এক বিজেপি (BJP) নেতা। মারধর করা হয়েছে দলের দুই কর্মীকেও। ঘটনার পিছনে তৃণমূলের হাত রয়েছে বলেই অভিযোগ বিজেপি নেতৃত্বের। শুক্রবার গোটা বিষয়টি জানিয়ে আউশগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের কল্যাণপুরের বাসিন্দা সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় নামে ওই বিজেপি নেতা। বিজেপির আউশগ্রামের ৫৪ নম্বর মণ্ডল কমিটির সম্পাদক তিনি। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে দলীয় কর্মসূচি ‘গৃহসম্পর্ক অভিযান’-এর জন্য সুনীল মাঝি ও পারভেজ আলমকে সঙ্গে নিয়ে বেড়িয়েছিলেন তিনি। সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ তিনজনে বাইকে ফিরছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় তাঁদের পথ আটকানো হয়। সুদীপ্তবাবুর কথায়, “কল্যাণপুর তেমাথা মোড়ে তৃণমূলের প্রায় ২৫-৩০ জন লাঠি দিয়ে আমাকে প্রচণ্ড মারধর শুরু করে। সুনীল ও পারভেজ আমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে ওদের দুজনকেও বেধড়ক পেটায়। তারপর রাস্তায় ফেলে পালায়।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বুড়ো ঘোড়া অচল’, নাম না করে জ্যোতিপ্রিয়কে বেনজির আক্রমণ সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর দলীয় কর্মীরা খবর পেয়ে তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। রাতেই মৌখিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। শুক্রবার লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও গ্রেপ্তারের খবর নেই। যদিও এর সঙ্গে তাঁদের দলের কোনও যোগ নেই বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের।

ছবি: জয়ন্ত দাস

[আরও পড়ুন: ‘পূর্ব মেদিনীপুরে ঢুকতে ভিসা লাগবে নাকি পাসপোর্ট?’, কোলাঘাটে পুলিশি বাধায় প্রশ্ন সায়ন্তনের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.