সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সভা থেকে ফেরার পরই হুগলির গুড়াপে গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী। বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন তিনি। জখম যুবকের পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে তাঁকে। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির যোগ রয়েছে তা মানতে নারাজ হুগলি গ্রামীণের পুলিশ সুপার। পালটা তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত কোনও বিবাদে জেরেই রাকেশ ক্ষেত্রপাল নামে ওই বিজেপি কর্মীকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পড়ুয়াদের খাবারে পোকাধরা সোয়াবিন, উত্তেজনা ভাতারে]
রাকেশ ক্ষেত্রপাল নামে ওই যুবক কেরলে শ্রমিকের কাজ করতেন। সপ্তাহখানেক আগেই হুগলির গুড়াপে নিজের গ্রামে ফিরেছিলেন। তাঁর পরিবারের সকলেই এলাকার সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসাবেই পরিচিত। রাকেশের পরিজনদের দাবি, তিনি নিজেও বিজেপির সঙ্গে জড়িত। শুক্রবার বৈচিতে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের একটি সভা ছিল। তাতেও গিয়েছিলেন রাকেশ। সেখানে নাকি ওই যুবককে বিজেপির পতাকা টাঙাতেও দেখা গিয়েছিল। বিকেলেই সভা থেকে ফিরে আসেন রাকেশ। গ্রামেই একটি মাঠের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় তিনজন যুবক তাঁর কাছে আসে। ‘প্রাণে বাঁচতে চাইলে পালিয়ে যা’ বলে হুমকিও দেওয়া হয় রাকেশকে। এরপর তারা ওই যুবককে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলেও অভিযোগ। পেটে এবং বুকে দু’টি গুলি লাগে রাকেশের। রাতেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় শনিবার সকালে তাঁকে কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে গুড়াপের ভাস্তারায় টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।
[আরও পড়ুন: অপরাধের সাক্ষী, খাগড়াগড়ের অভিশপ্ত সিল করা বাড়ি ঘিরে ফের ফিসফাস]
জখম যুবকের পরিজনদের দাবি, বিজেপি কর্মী হওয়াতেই খুনের চেষ্টা করা হয়েছে রাকেশকে। তবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে খুনের চেষ্টার তত্ত্ব মানতে নারাজ পুলিশ। হুগলি গ্রামীণের পুলিশ সুপার বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তারপরই ঘটনার কারণ জানতে পারব।”
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!