সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: মহাষষ্ঠীর সকালে আচমকাই হুগলি নদীতে স্নানে নেমে তলিয়ে যায় চার শিশু। তিনজনকে কোনওমতে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে সাত বছরের এক বালককে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তার সন্ধানে চলেছে তল্লাশি। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার পূজালি পুরসভার খেয়াঘাট এলাকায়।
বৃহস্পতিবার সকাল ন’টা নাগাদ পূজালি (Pujali) খেয়াঘাটের কাছে হুগলি নদীতে স্নানে নামে চার বালক ও বালিকা। প্রত্যেকেরই বয়স সাত থেকে দশ বছরের মধ্যে। নদীতে তখন ভাটা চলছিল। স্নান করতে করতে আচমকাই স্রোতের টানে তলিয়ে যেতে থাকে ওই চার শিশু। তাদের চিৎকার চেঁচামেচিতে ঘাটের আশেপাশে থাকা স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসেন। তাঁরাই উদ্ধার করেন সুমাইয়া খাতুন ও সাজিদা খাতুন নামক দুই বালিকা ও সুমন পাল নামে এক বালককে। কিন্তু স্রোতের টানে তলিয়ে যেতে থাকে আবদুল সামাদ ওরফে রহিত নামে সাত বছরের এক বালক। এখনও নিখোঁজ রয়েছে সে।
[আরও পড়ুন: শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ, পুজোয় বৃষ্টিতে ভাসবে কলকাতা-সহ বহু জেলা, বইবে ঝোড়ো হাওয়া]
পূজালি পুরসভার চেয়ারম্যান তাপস বিশ্বাস জানান, রোজকার মতো এদিনও ওই চার শিশু নদীতে স্নানে নেমেছিল। খেয়াঘাটের ওই এলাকায় নদীর স্রোতে ঘূর্ণি রয়েছে। দুর্ঘটনার সময় ভাটা চললেও ওই ঘূর্ণিতে পড়ে যায় তারা। ভাটার টানে তলিয়ে যেতে থাকে চারজনই। তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও একজনের এখনও পর্যন্ত কোনও হদিশ মেলেনি। উদ্ধার হওয়া তিন শিশুর একজনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে। প্রত্যেকেরই বাড়ি পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালিপুর এলাকার পালপাড়ায়। নিখোঁজ বালকের সন্ধানে নৌকা নিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পূজালি থানার পুলিশ। খবর দেওয়া হয়েছে ডুবুরিকেও।
[আরও পড়ুন: ‘শাসকদলের সঙ্গে আঁতাঁত স্পষ্ট’, গুরুংয়ের প্রত্যাবর্তনে প্রায় একসুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের]
সর্বশেষ খবর
-
নিউ আলিপুর থানার সামনে উত্তেজনা, স্বরূপ অনুগামীদের মার ক্রুদ্ধ জনতার, নামল বাহিনী
-
বৈভবকে নিয়ে আলোচনা বিলেতেও, অন্য দুই দেশের টেস্টেও উঠল ভারতীয় দলে নেওয়ার দাবি
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?
-
দিল্লি দরবারে বৈঠক শেষে ‘খুশি’ মনে রাজ্যে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী, আজ রাতেই দপ্তর বণ্টন!