সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে এখনও থমথমে পুরুলিয়ার ঝালদা। এই ঘটনায় এবার পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের। বুধবার ঝালদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নিহতের দাদা। সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবিতে সরব তিনি।
গত ১৩ মার্চ বিকেলে ঝালদা-বাঘমুন্ডি সড়কপথে গোকুলনগর গ্রামের কাছে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন কংগ্রেস কাউন্সিলর (Congress Councillor) তপন কান্দু। সেই সময় আততায়ীদের গুলিতে খুন হন তিনি। কংগ্রেস কাউন্সিলরের সঙ্গে ছিলেন যাদব রজক, শেফাল ওরফে নিরঞ্জন বৈষ্ণব, সুভাষ কর্মকার, প্রদীপ চৌরাশিয়া ও সুভাষ গড়াই নামে পাঁচ সঙ্গী। তাঁরা খুনের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন। বুধবার সকালে নিজের ঘর থেকে শেফাল ওরফে নিরঞ্জন বৈষ্ণবের দেহ উদ্ধার হয়। ঝালদার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। শেফাল ওরফে নিরঞ্জন বৈষ্ণবের ঘর থেকে সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে।
[আরও পড়ুন: আচমকাই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ কলকাতার জি ডি বিড়লা-সহ ৫ স্কুল, মাথায় হাত অভিভাবকদের]
উদ্ধার হওয়া ওই সুইসাইড নোটে (Suicide Note) নিরঞ্জন ওরফে শেফাল লেখেন, “যেদিন তপনের হত্যা (Tapan Kandu Murder Case) হয় সেদিন থেকে আমি মানসিক অবসাদে ভুগছি। যে দৃশ্যটি দেখেছি মাথা থেকে কোনওরকম বার হচ্ছে না। ফলে রাতে ঘুম হচ্ছে না। খেতে মন যাচ্ছে না। শুধু ওই ঘটনাটাই মনের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। তারপর পুলিশের বারবার ডাক। আমি জীবনে থানার চৌকাঠ পার করিনি। এই সব আমি আর সহ্য করতে না পারার জন্য আমি এই পথ বেছে নিলাম। এতে কারও কোনওরূপ প্ররোচনা, চাপ বা হাত নেই। আমি স্বেচ্ছায় আত্মত্যাগ করলাম।”
এই ঘটনায় পুলিশের (Police) বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠেছিল আগেই। এবার লিখিতভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন নিহতের দাদা নেপাল বৈষ্ণব। ভাইয়ের মৃত্যুর উপযুক্ত তদন্তের দাবি জানালেন তিনি।

[আরও পড়ুন: ‘বিজেপি আর কংগ্রেসের মধ্যে ফারাক নেই’, সিপিএম পার্টি কংগ্রেসে দাবি বিজয়নের, অস্বস্তিতে বঙ্গ নেতারা]
সর্বশেষ খবর
-
মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস, দক্ষিণবঙ্গের আট জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা
-
আদালতে ধমক খেলেন অভিষেক! কখন সিআইডির কাছে যাবেন? ১০ মিনিটে জানানোর নির্দেশ
-
সলমন ঘনিষ্ঠ হওয়াই কাল! এবার গুরু রানধাওয়ার দিল্লির ‘আখাড়া’য় গুলি চালাল বিষ্ণোই গ্যাং
-
সাময়িক স্বস্তি! হকার উচ্ছেদে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাই কোর্টের
-
রাজ্যসভায় ফের ভাঙল তৃণমূল, সুখেন্দু-সুস্মিতার পর ইস্তফা আরও এক সাংসদের