BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মুর্শিদাবাদে টিভি দেখতে না দেওয়ায় আত্মঘাতী গৃহবধূ ও পড়ুয়া

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: December 11, 2017 11:34 am|    Updated: September 20, 2019 11:57 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো:  দুনিয়াটা আজ ছোট হতে হতে ড্রয়িংরুম আর বোকাবাক্সতে বন্দি…… বিখ্যাত এই গানের কলিতে যেন ফুটে ওঠে বাঙালির রোজনামচায়। সন্ধ্যা নামলেই সিরিয়ালের অমোঘ আকর্ষণে টিভির সামনে বসে পড়ে আট থেকে আশি। মুর্শিদাবাদে এই টিভি দেখাকে নিয়ে অশান্তির কারণে আত্মঘাতী গৃহবধূ ও স্কুলপড়ুয়া। ঘটনায় শোকে হতবাক আত্মীয়-পরিজন ও পাড়া-প্রতিবেশীরা।

[যৌনপল্লির কচিকাঁচাদের সঙ্গে প্রথম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন এই দম্পতির]

মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার মগুরা গ্রামের ঊনিশ বছরের গৃহবধূ স্বপ্না খামারু। প্রতিদিন সংসারের কাজকর্ম সেরে সন্ধ্যায় টিভিতে সিরিয়াল দেখার নেশা ছিল তাঁর। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যাতেও টিভিতে সিরিয়াল দেখছিলেন তিনি। সেসময়ই বাড়ি ফেরেন স্বপ্নার স্বামী মলয়। বাড়ি ফিরেই চ্যানেল ঘুরিয়ে সিনেমা দেখতে বসে পড়েন তিনি। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই ঘর থেকে বেরিয়ে বিষ খান স্বপ্না। রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভরতি করা হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। রবিবার সকালে মারা যান ওই গৃহবধূ। মৃতার মামাশ্বশুর অজিত বিশ্বাস জানিয়েছেন, টিভি দেখা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝেমধ্যেই অশান্তি হত। ঘটনার দিন স্বামী টিভিতে পছন্দের সিরিয়াল দেখতে না দেওয়ার অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন স্বপ্না। মেয়ের সংসারে অশান্তি ছিল না বলে জানিয়েছেন মৃতার বাবা যোগেশ্বর মণ্ডলও।

[পুরনো আক্রোশের জের, বউমার কান কেটে নিল শাশুড়ি!]

সামনে পরীক্ষা। পড়াশোনা না করে টিভিতে সিরিয়াল দেখায় মেয়েকে ধমক দিয়েছিলেন মা। সেই অভিমানে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সাগদিঘির দস্তুরহাটের রুবিয়া খাতুনও। স্থানীয় স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে।  রবিবার সকালে ঘরের দরজা ভেঙে রুবিয়ার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের লোকেরা।

[ট্রেনের প্যান্টোগ্রাফে আগুন, হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত]

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, টিভির নেশায় পড়াশোনা কার্যত লাটে উঠেছিল রুবিয়ার। পড়াশোনা ছেড়ে দিনরাত সিরিয়াল দেখত সে, রোজই রুবিয়াকে বকাঝকা করতেন তাঁর মা। শনিবার বিকেলে টিভি বন্ধ করে তাকে পড়তে বসতে বলেন মা। এই নিয়ে মা ও মেয়ের অশান্তি হয়। পরে নিজের পড়ার ঘরে চলে যায় রুবিয়া। রাতে যথারীতি খাওয়া-দাওয়ার পরে শুয়েও পড়ে। কিন্তু, রবিবার সকালে অনেক ডাকাডাকি করেও রুবিয়ার কোনও সাড়া পাননি বাড়ির লোকেরা। দরজা ভেঙে রুবিয়ার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা।

[পাড়ায় কারও আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে জানান পুলিশকে, পরামর্শ পার্থর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement