Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
বজবজ

মদ্যপ অবস্থায় স্ত্রীকে বেধড়ক মার, বাধা দিতে গিয়ে গুরুতর জখম প্রতিবেশী

ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই প্রতিবেশীকে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় বলে অভিযোগ৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০১৯, ১২:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০১৯, ১২:২৮

options
link
মদ্যপ অবস্থায় স্ত্রীকে বেধড়ক মার, বাধা দিতে গিয়ে গুরুতর জখম প্রতিবেশী zoom

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: দম্পতির ঘরোয়া বিবাদের সমাধান করতে গিয়ে আক্রান্ত এক গৃহশিক্ষক। ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ওই শিক্ষক। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ থানার পার্বতী গ্রামে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: উদয়ন গুহ গাড়ি ভাঙচুরের প্রতিবাদ, ১২ ঘণ্টার পরিবহণ ধর্মঘট দিনহাটায়]

ঘটনার সূত্রপাত কয়েকদিন আগে। জানা গিয়েছে, পার্বতী গ্রামের বাসিন্দা অচিন্ত্য কাঞ্জির সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই অশান্তি চলছিল তাঁর স্ত্রী জয়ন্তীদেবীর। অভিযোগ, প্রায় দিনই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে মারধর করত অচিন্ত্য। প্রতিনিয়ত বিবাহ বিচ্ছেদের হুমকিও দিত সে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় বাধ্য হয়ে সাংসারিক অশান্তির কথা স্থানীয়দের জানান ওই বধূ। এরপর প্রতিবেশীরাই দম্পতির বিবাদ মেটানোর চেষ্টা করেন। সমস্যা মেটাতে শচীন্দ্র বক্সি নামে এক ব্যক্তি গ্রামে সালিশি সভার আয়োজন করেন। স্বামী-স্ত্রী ছাড়াও গ্রামের অনেকেই ছিলেন সেখানে। সভায় প্রতিবেশীরা অচিন্ত্যকে পরামর্শ দেন মদ খাওয়া ছাড়তে হবে। স্ত্রীর উপর কোনও অত্যাচার করাও চলবে না। ঠিকঠাকভাবে পালন করতে হবে সংসারধর্মও।

সভার নির্দেশ মেনে বাড়ি ফিরে যায় অচিন্ত্য। কিন্তু সালিশি সভার সিদ্ধান্ত বিরুদ্ধে যাওয়ায় রাগে ফুঁসছিল ওই ব্যক্তি। অভিযোগ,  সেই ক্ষোভেই রবিবার সন্ধেয় শচীন্দ্রবাবুর উপর চড়াও হয় অভিযুক্ত। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়িভাবে ওই গৃহশিক্ষককে কোপায় সে। চিৎকারে শুনে স্থানীয়রা ছুটে যেতেই চম্পট দেয় অচিন্ত্য। এরপর স্থানীয়রাই রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই তাঁকে এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়। ইতিমধ্যেই আক্রান্তের ভাইপো কৃষ্ণেন্দু বক্সি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে বজবজ থানার পুলিশ। এখনও পলাতক অভিযুক্ত।

Advertisement

[আরও পড়ুন: খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত সাংবাদিক, দর্শক পুলিশ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.