Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
A man arrested for allegedly killing his brother in laws in Asansol

মদের আসরে বচসা, শ্বাসরোধের পর জলে ডুবিয়ে দুই শ্যালককে ‘খুন’, গ্রেপ্তার বাড়ির জামাই

খুনের কারণ নিয়ে এখনও জারি ধোঁয়াশা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২১, ১১:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২১, ১১:৪০

options
link
মদের আসরে বচসা, শ্বাসরোধের পর জলে ডুবিয়ে দুই শ্যালককে ‘খুন’, গ্রেপ্তার বাড়ির জামাই zoom
ছবি: প্রতীকী।

শেখর চন্দ, আসানসোল: মদ্যপ অবস্থায় দুই শ্যালককে খুনের অভিযোগ উঠল জামাইবাবুর বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত আসানসোলের (Asansol) বারাবনির নুনি গ্রাম। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গলায় গামছা জড়িয়ে শ্বাসরোধের পর জলে ডুবিয়ে তাঁদের খুন করা হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ।

ধৃত হারু বাউড়ি বাঁকুড়ার (Bankura) গঙ্গাজলঘাঁটির বাসিন্দা। বেশ কয়েকবছর আগেই বিয়ে হয় তার। বিয়ের পর থেকে আসানসোলের বারাবনির নুনি গ্রামে শ্বশুরবাড়িতেই থাকত হারু। তার দুই শ্যালক হাবুল এবং অলোক ওই একই এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের দাবি, শ্যালকদের সঙ্গে  জামাইবাবুর সম্পর্ক বেশ ভালই ছিল। শনিবার রাতে কপিলেশ্বর মন্দিরের কাছে বসে একসঙ্গে মদ্যপানও করছিল তারা। আর তারই মাঝে ঘটল বিপত্তি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: উপনির্বাচনের পরই বিজেপির নয়া কমিটি, পদাধিকারী তালিকায় আসতে পারে নতুন মুখ]

অভিযোগ, মদ্যপানের সময় হাবলু বাউড়ি, অলোক বাউড়ির সঙ্গে হারুর বাউড়ির সঙ্গে বচসা বাঁধে। বচসা মুহূর্তের মধ্যেই হাতাহাতির রূপ নেয়। অভিযোগ, হারু তার দুই শ্যালক হাবলু ও অলোককে মারধর করতে শুরু করে। মারধরের মাঝেই দুই শ্যালকের গলায় গামছায় পেঁচিয়ে ফেলে। শ্বাসরোধ হয়ে যায় তাঁদের। এখানেই নৃশংসতার শেষ নয়। দুই শ্যালকের মৃত্যু নিশ্চিত করতে ডোবায় ডুবিয়েও দেওয়া হয় তাঁদের। শ্বাসরোধ অবস্থায় ডোবার জলে ডুবিয়ে দেওয়ার ফলে ওই দু’জনের মৃত্যু হয়। 

তবে খুনের পর গা ঢাকা দিয়ে শেষরক্ষা হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যেই খুনের (Murder) ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়। স্থানীয়রা হারুর বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়ি থেকে বেরলে স্থানীয়রা তাকে ঘিরে ধরে। খবর দেওয়া হয় আসানসোল উত্তর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে অভিযুক্ত হারুকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।  তবে কী কারণে দুই শ্যালককে খুন করল জামাই, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। ধৃতকে জেরা করেই খুনের কারণ সামনে আসবে বলেই আশা তদন্তকারীদের। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিজনেরা। 

[আরও পড়ুন: বিসর্জনের পর মদের টাকা চাইতেই সংঘর্ষ-বোমাবাজি, দুই পাড়ার অশান্তিতে উত্তপ্ত দুর্গাপুর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.