শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: জলসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ প্রেমিকের বিরুদ্ধে। শনিবার উত্তর দিনাজপুরের ইসলাম শহরের মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে বিহারের পাহাড়াকাট্টা থানার নয়াবস্তি এলাকায় ভুট্টার থেকে উদ্ধার হয়েছে নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত বিবস্ত্র দেহ। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিহার পুলিশ ও ইসলামপুর থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিহারের কিষাণগঞ্জ মেডিক্যাল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নেপথ্যে নাবালিকার প্রেমিক বলেই দাবি পরিবারের। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব মৃতার পরিবার।
মৃতার পরিবারের দাবি, গত ২৯ জানুয়ারি দুপুরে জলসা দেখার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল নাবালিকা। তারপর রাতে আর বাড়ি ফেরিনি। বিভিন্ন এলাকায় খোঁজখবর করেও তার হদিশ মেলেনি। ইসলামপুর থানাও ‘মিসিং ডাইরি’ জমা নেয়নি বলে পরিবারের অভিযোগ। দুদিন পর অর্থাৎ ১ তারিখ বিহারের নয়াবস্তির জলসাকেন্দ্রের অদূরের ভুট্টাখেতে কাজ করতে গিয়ে একটি দেহ দেখতে পান এক কৃষক। খবর জানাজানি হতেই ইসলামপুরের বাড়ি থেকে নিখোঁজ নাবালিকার মা সেখানে পৌঁছন। মেয়ের ক্ষতবিক্ষত দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তি। কাঁদতে কাঁদতে মায়ের অভিযোগ, “বাড়ির পাশেই রাজার সঙ্গে আমার মেয়ের সম্পর্ক ছিল। অশান্তি হয়েছিল। তারপর কাউন্সিলর নিজে এসে গোলমাল মিটিয়ে দিয়েছিল। তারপর কী হল, সব শেষ হয়ে গেল।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই কিশোরীর সঙ্গে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত দেড় মাস ধরে তাঁদের মধ্যে বিবাদ চলছিল। দুই পরিবারের সদস্যরা কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে ঝামেলা মেটানোরও চেষ্টা করে। মনে করা হচ্ছে সেই অশান্তির জেরেও এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এবিষয়ে এখনও নিশ্চিত নয় পুলিশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কিষাণগঞ্জ মেডিক্যাল হাসপাতালের চিকিৎসকের সূত্রে দাবি, ময়নাতদন্তে মৃতার দেহে একুশ জায়গায় ছুড়ির আঘাতের চিহ্ন মিলেছে।
সর্বশেষ খবর
-
পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচার! দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার দালাল, কতদূর ছড়িয়ে জাল?
-
জেরায় একাধিক অসঙ্গতি, তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হোটেল মালিকের ছেলে
-
মুসলিমদের জন্য কেন আলাদা বেসিন! মার্কিন বিমানবন্দরের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ টেক্সসের গভর্নরের
-
আশিসের মৃত্যুর তদন্তে ফরেনসিক টিম-তৎপর সিআইডি, নজরে টিআরডিএ-র পুরনো দুর্নীতির অভিযোগও
-
‘হাম দো হামারে দো’, এবার দু’য়ের বেশি সন্তান ঠেকাতে আইন আনছে স্বাস্থ্যদপ্তর!