Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৪ অক্টোবর ২০২৬
Security guard lost his job

প্রাণের রবীন্দ্রসঙ্গীতেই বিপত্তি! ভাইরাল গানই চাকরি কাড়ল নিরাপত্তারক্ষী ‘গানওয়ালার’

চাকরি হারিয়েও গানই আশ্রয় শোভনের।

দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৯:১৭

link
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৯:১৭

options
link
প্রাণের রবীন্দ্রসঙ্গীতেই বিপত্তি! ভাইরাল গানই চাকরি কাড়ল নিরাপত্তারক্ষী ‘গানওয়ালার’ zoom
Advertisement

রবীন্দ্রসংগীত তাঁর কাছে শুধু গান নয়, জীবনের অবলম্বন। রবীন্দ্রনাথকে আঁকড়ে ধরেই বেড়ে ওঠা। অথচ সেই রবীন্দ্রসংগীতই সোশাল মাধ্যমে ভাইরাল হতেই চাকরি গেল ‘গানওয়ালা’ নিরাপত্তারক্ষীর। চাকরি হারিয়ে চল্লিশ ছুঁইছুঁই শোভন চক্রবর্তী এখন খানিকটা বেকায়দায়। শান্তিনিকেতন ছেড়ে বর্তমানে কলকাতার বেহালায় মাকে নিয়ে দিন কাটছে তাঁর। তবে অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভরসা সেই রবীন্দ্রসংগীতই। গান শেখানোর মাধ্যমে ফের নিজের পায়ে দাঁড়াতে চান শান্তিনিকেতনে সঙ্গীতভবনে পাঠ নেওয়া শিল্পী।

সঙ্গীতশিল্পী শোভন চক্রবর্তী।

শোভন চক্রবর্তীর কথায়, “রুটি-রুজির টানে শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতায় নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতে এসেছিলাম। কিন্তু আমার গান সোশাল মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর কোনও অজ্ঞাত কারণে সেই চাকরিটিও টেকেনি। তবে এখন অনেকেই গান শেখার জন্য ফোন করছেন। কলকাতায় কোনও স্থায়ী জায়গা কিংবা শান্তিনিকেতনে উপযুক্ত কোনও জায়গা পেলে এক ছাতার তলায় অনেককে গান শেখাতে চাই। যারা আমার ভিডিও দেখেছেন বা গান শুনেছেন, তাঁদের কাছে অনুরোধ-কেউ গান শিখতে চাইলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারেন। আমি কারও আর্থিক সাহায্য চাই না। যতটুকু জানি, রবীন্দ্রনাথের গানকে অবলম্বন করেই আগামী দিনেও শেখাতে চাই।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মাত্র আড়াই বছর বয়সেই মা পুতুল চক্রবর্তীর কাছে রবীন্দ্রসঙ্গীতে হাতেখড়ি শোভনের। ছোটবেলা থেকেই গান হয়ে ওঠে তাঁর নিত্যসঙ্গী। পরবর্তীতে শান্তিনিকেতনের সঙ্গীত ভবনে ভর্তি হন। পড়াশোনার পাশাপাশি সেখানেও কয়েকজনকে গান শেখাতেন। গান এবং রবীন্দ্রচর্চার সেই পরিসরই ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম আশ্রয়। কিন্তু সংসারের অভাব-অনটন ক্রমশ সেই সাধনার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। রুটি-রুজির তাগিদে একসময় সঙ্গীত ভবনের পড়াশোনা ও রবীন্দ্রচর্চার পর্ব থামিয়ে কলকাতায় ফিরে যেতে হয় তাঁকে। জীবিকার তাগিদে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ নিলেও গানকে কখনও ছাড়েননি। একসময় কচিকাঁচাদের দিনরাত গান শেখাতেন। কেউ শিখত গান, কেউ বা তবলা। আজ চাকরি নেই। হাতে নেই স্থায়ী আয়ের নিশ্চয়তাও। তবু ভেঙে পড়েননি শোভন। তাঁর বিশ্বাস, যে রবীন্দ্রসংগীত শৈশব থেকে তাঁকে পথ দেখিয়েছে, সেই গানই একদিন ফের তাঁর জীবনের পথ খুলে দেবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.