Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bankura

এমনিতেই ছেলেধরার আতঙ্ক, দোসর মধ্যরাতে সন্দেহভাজন যুবকের আনাগোনা, ভয়ে কাঁটা বাঁকুড়াবাসী

জানা যায়, সোমবার রাতে দুই অচেনা যুবককে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে শোরগোল। কেউ মোবাইলে ফোন করছেন, কেউ ছুটছেন গলির মুখে!

Advertisement
টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৬, ১৯:১৫

link
টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৬, ১৯:১৫

options
link
এমনিতেই ছেলেধরার আতঙ্ক, দোসর মধ্যরাতে সন্দেহভাজন যুবকের আনাগোনা, ভয়ে কাঁটা বাঁকুড়াবাসী zoom
প্রতীকী ছবি

রঙের উৎসবের আগের রাত! চারপাশ জুড়ে তখন চলছে আবির-গুলালের প্রস্তুতি, পাড়ায় পাড়ায় কচিকাঁচাদের উচ্ছ্বাস। এর মধ্যেই সন্দেহজনকভাবে এক যুবককে ঘোরাফেরা করতে দেখে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বাঁকুড়া শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সেকেন্ড ফিডার রোড এলাকায়। গত কয়েকদিন ধরে বাঁকুড়া পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ছেলেধরা নিয়ে গুজব ছড়িয়েছিল। যা নিয়ে জনমানসে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়। এর মধ্যেই ওই যুবককে ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। হাতেনাতে ধরা হয় তাঁকে। উদ্ধার হয় কাটারি এবং বেশ কিছু ধারালো সরঞ্জাম। কিন্তু কেন সে এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। করা হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম লক্ষ্মীকান্ত মাঝি। জানা যায়, সোমবার রাতে দুই অচেনা যুবককে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে শোরগোল। কেউ মোবাইলে ফোন করছেন, কেউ ছুটছেন গলির মুখে! এরপরেই স্থানীয় মানুষজন হাতেনাতে ধরে ফেলেন লক্ষ্মীকান্ত মাঝি নামে ওই যুবককে। ঘটনার খবর যায় বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ। অভিযুক্তকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের কাছ থেকে একটি কাটারি ও একটি ধারালো সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে। জেরায় সে বারবার বয়ান বদল করছে বলেও দাবি। কখনও বলছে রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজ করে, কখনও দাবি করছে গাছ কাটতে এসেছিল। তার সঙ্গী অন্য এক যুবক ওন্দা থানার এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে, তবে সে ঘটনাস্থল ছেড়ে সরে পড়ে। 

Advertisement

এলাকার বাসিন্দা তপন সাঁতরা বলেন, “গত ক’দিন ধরে এমন গুজব চলছে যে বাচ্চাদের বাইরে বেরোতে দিচ্ছি না। হোলির আগের রাতে ওদের দেখে মাথা কাজ করেনি।” গৃহবধূ মমতা পাল বলেন, “চারদিকে যা শুনছি, তাতে ভয় তো লাগবেই। পুলিশ এসে নিয়ে যাওয়ায় একটু স্বস্তি পেয়েছি।” এর মধ্যেইও পুলিশের দাবি, প্রাথমিকভাবে ছেলেধরার কোনও প্রমাণ মেলেনি। এক আধিকারিক জানান, “গুজবে কান দেবেন না। সন্দেহজনক কিছু দেখলে থানায় খবর দিন। আইন নিজের হাতে তুলবেন না।” তবে উৎসবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়া জুড়ে তৈরি হয়েছে টানটান উত্তেজনা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.