Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ধর্ষণ

মূক ও বধির মহিলাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ, অধরা অভিযুক্ত

ঘর থেকেই উদ্ধার হয়েছে ওই মহিলার নগ্ন দেহ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০১৯, ১১:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০১৯, ১১:৫১

options
link
মূক ও বধির মহিলাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ, অধরা অভিযুক্ত zoom
Advertisement

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: মূক ও বধির মহিলার নগ্ন দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল ইস্পাত নগরী দুর্গাপুরের কাশীরাম দাস রোডে। সোমবার সকালে ঘর থেকেই উদ্ধার হয়েছে ওই মহিলার দেহ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে ওই মহিলাকে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে যান দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি ও দুর্গাপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা।

[আরও পড়ুন: শরীর থেকে ক্রমাগত রক্তক্ষরণ, বেঁচে থাকার লড়াই বিরল রোগে আক্রান্ত খুদের]

জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের কাশীরাম দাস রোডের বস্তিতে পরিবারের সঙ্গেই থাকতেন মূক ও বধির ওই মহিলা। রবিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা লাউদোহায় একটি অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েছিলেন। সে কারণে বাড়িতে একাই ছিলেন তিনি। পরে সোমবার সকালে বাড়ি ফেলেন ওই মহিলার ছেলে। তিনি ঘরে ঢুকেই দেখেন তাঁর মা নগ্ন ও রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে রয়েছেন। সারা গায়ে ক্ষতচিহ্ন, মুখ থেকে গ্যাঁজলা বেরোচ্ছিল বলেও জানান তিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান দুর্গাপুর থানার পুলিশ ও আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে ওই মহিলাকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, যে বিছানা থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে সেই ঘরের চালের ২টি টালি খোলা ছিল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, চাল থেকে টালি সরিয়েই ঘরে ঢুকেছিল অভিযুক্ত। তবে স্থানীয়দের দাবি, এক নয় একাধিক ব্যক্তি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ, দিন দিন এলাকায় বেআইনি মদের ঠেক গজিয়ে উঠছে। ফলে রাত বাড়তেই দুষ্কৃতীদের আনাগোনা বাড়ছে এলাকায়। তাঁদের অভিযোগ, মদের ঠেকে যারা প্রতিদিনই যাতায়াত করে তারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে  ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।  

[আরও পড়ুন: খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত সাংবাদিক, দর্শক পুলিশ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.