Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

পণের জন্য বেধড়ক মার, সাইকেল চালিয়ে বাপের বাড়ি এসে রেহাই বধূর

মাঝে মধ্যেই পণের টাকার জন্য ওই মহিলার উপর অত্যাচার চালাত স্বামী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৭, ১৬:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৭, ১৬:৩১

options
link
পণের জন্য বেধড়ক মার, সাইকেল চালিয়ে বাপের বাড়ি এসে রেহাই বধূর zoom

স্টাফ রিপোর্টার, বোলপুর: বিয়ে হয়েছিল ১৫ বছর আগে। কিন্তু এতদিনেও কমেনি পণের জন্য লালসা। আর তাই বারবার শ্বশুরবাড়ি থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করছিল জামাই। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি থেকে সেই টাকা দিতে অস্বীকার করতেই স্ত্রীকে সাইকেলের যন্ত্রাংশ দিয়ে বেধড়ক পেটাল স্বামী। মারের চোটে মাথা ফেটে গেল স্ত্রী-র। আরও অভিযোগ, গলায় গামছা দিয়ে তাঁকে নাকি খুনের চেষ্টাও করেছে অভিযুক্ত স্বামী। আর সেকারণে আহত অবস্থাতেই বুধবার ভোররাতে বর্ধমানের আউসগ্রাম থানার রামনগর গোপালপাড়া থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে ইলামবাজারে বাপের বাড়ি পালিয়ে আসলেন ওই নির্যাতিতা মহিলা। আপাতত গুরতর জখম অবস্থায় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি তিনি। ইতিমধ্যে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের তরফ থেকে ইলামবাজার থানায় চিত্তরঞ্জন শীল নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

[নতুন দল গড়তে পারেন জেডি(ইউ) নেতা শরদ যাদব, জল্পনা তুঙ্গে]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ বছর আগে ইলামবাজার থানার নীলডাঙা গ্রামের বাসিন্দা অণিমা শীলের সঙ্গে গোপালপাড়ার বাসিন্দা চিত্তরঞ্জন শীলের বিয়ে হয়েছিল। অভিযোগ, পেশায় সেলুন ব্যবসায়ী চিত্তরঞ্জন বিয়ের পর থেকেই পণের পাশাপাশি শ্বশুরবাড়ি থেকে অতিরিক্ত অর্থের দাবি করে আসছিল। নির্যাতিতা অনিমা শীলের অভিযোগ, “আর্থিক অবস্থা খারাপ হলেও আমার মুখের দিকে তাকিয়ে মাঝে মাঝেই কিছু টাকা জামাইকে দিতেন বাবা। তিন মাস আগে ভাইয়ের বিয়ে ছিল। তখন চিত্তরঞ্জন বাবার কাছে ১৫ হাজার টাকা চেয়েছিল। বাবা দিতে অস্বীকার করতেই অশান্তি শুরু হয়। মঙ্গলবার রাতে কথা কাটাকাটি হতেই আমার স্বামী বাড়িতে থাকা সাইকেলের যন্ত্রাংশ দিয়ে আমাকে মারধর শুরু করে। পরে মরে গিয়েছি ভেবে ও চলে যায়। বুধবার ভোরে সাইকেলে চালিয়ে বাপের বাড়ি পালিয়ে আসতে বাধ্য হই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[একই শরীরে দুই গ্রুপের রক্ত দেখে তাজ্জব চিকিৎসকরা]

অনিমা শীলের ছোট ছেলে শুভজিৎ অভিযোগ করে, রাতে হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে দেখি বাবা, মা-কে মারছে। এদিকে অনিমাদেবীর ভাই রবি শীল বলেন, “দিদির মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে জামাইবাবু। সারা শরীরে কালশিটে দাগ ফেলে দিয়েছে। ইলামবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমরা চাই পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিক।” এদিকে এই ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত চিত্তরঞ্জন। এই বিষয়ে চিত্তরঞ্জনের বাড়ি থেকে কিছু বলতে অস্বীকার করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.