Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Hansnabad

মায়ের ওষুধ কিনতে বেরিয়ে নিখোঁজ, ২২ দিন পর হিঙ্গলগঞ্জে দেখা মিলল বিহারের যুবকের

ইতিমধ্যেই পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ওই যুবককে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৪, ১৯:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৪, ১৯:৫৬

options
link
মায়ের ওষুধ কিনতে বেরিয়ে নিখোঁজ, ২২ দিন পর হিঙ্গলগঞ্জে দেখা মিলল বিহারের যুবকের zoom

গোবিন্দ রায়: মায়ের ওষুধ কিনতে বেরিয়ে উধাও হয়ে গিয়েছিলেন বিহারের যুবক। ২২ দিন পর তাঁর হদিশ মিলল উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদে। এলাকার এক যুবক, ক্লাব ও এক সংস্থার উদ্যোগে তাঁকে বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম অভিষেক পাসোয়ান। বিহারের পাটনার কনকারবাদ থানা এলাকার অশোকনগরের বাসিন্দা তিনি। দিন ২২ আগে মায়ের ওষুধ কেনার নাম করে বাড়ি থেকে বের হন ওই যুবক। তার পর আর বাড়ি ফেরেননি। স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়। থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। পরবর্তীতে দিন তিনেক আগে উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ এলাকায় ওই যুবককে ইতস্ততভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখেন এলাকার বাসিন্দা সাকিল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘কর্মে ভরসা রেখেই সাফল্য’, ইতিহাস গড়ে ব্রোঞ্জ জিতে বলছেন মনু]

সাকিল নামে ওই যুবক অভিষেককে প্রথমে খাওয়ান। তার পর তাঁকে স্থানীয় একটি ক্লাবে নিয়ে যান। এর পর ওই ক্লাবের তরফে একটি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সংস্থার চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষ যোগাযোগ করেন পাটনার অশোকনগরের বাসিন্দা টিঙ্কুর সঙ্গে। তাঁর হাত ধরেই অভিষেকের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা শুরু হয়। এদিন হাসনাবাদে এসে ছেলেকে নিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলেন অভিষেকের মা। প্রসঙ্গত, হিঙ্গলগঞ্জ বাজার কমিটি সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ জানান, নিখোঁজ যুবককে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দিয়ে তৃপ্তি পান তিনি। গত কুড়ি বছরে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে হারিয়ে যাওয়া প্রায় ১০০ জনকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: মধুচক্রের শিকার! হোটেলের শৌচাগারে তরুণীর অর্ধনগ্ন দেহ ঘিরে চাঞ্চল্য হরিণঘাটায়]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.