সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ভক্ত। নিজে চিত্রশিল্পী, তাই নিজের হাতে আঁকা ছবি উপহার হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়ার ইচ্ছে ছিল বহুদিন ধরেই। সেই তিনিই রক্ত দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি এঁকে ফেললেন। দুর্গাপুরের সুরজিৎ রায়ের এই ছবি নিয়ে প্রবল চর্চা হয়েছে।
পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের আমরাই গ্রামের বাসিন্দা সুরজিৎ রায়। তাঁর বয়স ২১ বছর। বরাবরই আঁকতে ভালবাসেন সুরজিৎ। উচ্চমাধ্যমিক পাশের পর এলাকার খুদেদের আঁকা শেখান ওই যুবক। ছোটবেলা থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজ উদ্বুদ্ধ করেছে তাঁকে। সুরজিতের স্বপ্ন ছিল, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। নিজের হাতে আঁকা ছবি তাঁর হাতে তুলে দেবেন। সেই মতো ছবিও এঁকেছিলেন সুরজিৎ। সম্প্রতি আসানসোলে সভা করতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুরজিতের ইচ্ছে ছিল সেখানেই মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেবেন নিজের আঁকা ছবি। সেই মতো সভাস্থলেও হাজির হন সুরজিৎ।
[আরও পড়ুন: পাহাড়ে উড়ল সবুজ আবির, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, জয়ের পর বললেন TMC প্রার্থী বিনয় তামাং]
কিন্তু সেই ছবিতে ছিল বিশেষত্ব। নিশ্চয়ই ভাবছেন কী সেই বিশেষত্ব? রং নয় নিজের রক্তে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি এঁকেছিলেন সুরজিৎ। জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সুরজিৎ। সেই সময় রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছিল। তখনই নাকি রক্ত সরিয়ে রেখেছিলেন তিনি। সেই রক্ত দিয়েই পরবর্তীতে এঁকেছিলেন মমতার ছবি।
কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত? সুরজিতের কথায়, নতুন কিছু করতে চেয়েছিলেন তিনি। যা আর পাঁচজনের থেকে একেবারে আলাদা। ভাবতে ভাবতে মাথায় আসে রক্ত দিয়ে আকার কথা। তারপর ঘটনাচক্রে হাসপাতালে ভরতি করতে হয়েছিল তাঁকে। তখনই জোগাড় করে ফেলেন ছবি আঁকার রক্ত।
[আরও পড়ুন: ঝালদা উপনির্বাচনে জয়ী নিহত তপন কান্দুর ভাইপো মিঠুন, চন্দননগরে জিতলেন বামপ্রার্থী]
সর্বশেষ খবর
-
এবার গেরুয়া বনাম লালের মুখোমুখি লড়াই! কল্যাণীর বর্ধিত অধিবেশনে বার্তা সিপিএমের
-
কোর্স করতে অনিচ্ছুক, টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন, কলেজে ডেকে ছাত্রী ও মার ‘শ্লীলতাহানি’ বনগাঁয়!
-
জঙ্গলের ‘বিষাক্ত প্রহরী’, বিরল লজ্জাবতী বানরের এবার দেখা মিলবে জঙ্গলমহল জুলজিক্যাল পার্কে
-
গুণমানের পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ, এভারেস্টের হিং-সহ একাধিক মশলা নিষিদ্ধ করল FSSAI
-
তৃণমূল জমানায় দুর্গাপুরে সমবায় ব্যাঙ্কে বেনজির দুর্নীতি! ‘৪০ কোটিরও বেশি লুট’, আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মন্ত্রী কীর্তনিয়ার