Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬

পথের শিশুকে কোলে তুলে স্বপ্নপূরণ দম্পতির

দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে কান্না শুনে রাস্তার ধারে সদ্যোজাতের খোঁজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৮, ১২:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৮, ১২:০৪

options
link
পথের শিশুকে কোলে তুলে স্বপ্নপূরণ দম্পতির zoom
ছবি: প্রতীকী

বিপ্লব দত্ত, কৃষ্ণনগর: নিজেদের দুই মেয়ে তাই, একটি পুত্রসন্তানের সুপ্ত ইচ্ছে ছিল মনের মধ্যে। এবার সেই ইচ্ছে হয়তো পূরণ হতে চলেছে পেশায় ক্ষৌরকার সুকুমার প্রামাণিকের। দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ শুনতে পান শিশুর কান্নার আওয়াজ। রাস্তার ধারে কেউ চাদরে মুড়িয়ে সবার অলক্ষে শিশুটিকে ফেলে গিয়েছে। অসহায় শিশুটি তখন কেঁদে চলেছে। কান্নার আওয়াজ গিয়ে পৌঁছয় সুকুমার প্রামাণিকের কানে। বুঝতে পারেন শিশুটিকে কেউ ফেলে রেখে গিয়েছে রাস্তার ধারে। পরম যত্নে শিশুটিকে কোলে তুলে নেন সুকুমারবাবু। নিজের গায়ের চাদরের ভিতরে ঢুকিয়ে নিয়ে যান বাড়িতে।

[স্ত্রীকে নিষিদ্ধপল্লিতে বিক্রি করে দেবে ‘অপহরণকারী’ যুবক, হাই কোর্টে স্বামী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নদিয়ার ভীমপুর থানার ট্যাংরার বাড়িতে তখন দুই মেয়েকে নিয়ে স্বামীর অপেক্ষায় বসে ছিলেন সুকুমারবাবুর স্ত্রী পিঙ্কি প্রামাণিক। সুকুমারবাবু শিশুটিকে তুলে দেন স্ত্রীর কোলে। তিনিও শিশুটিকে কোলে তুলে নিতে দেরি করেননি। জানা যায় শিশুটি ছেলে। আনন্দে, খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে স্বামী-স্ত্রীর মুখ। সেই আনন্দ তাঁরা ভাগ করে নেন পাড়া প্রতিবেশীদের সঙ্গে। বুধবার শীতের রাতেও সুকুমারবাবুর বাড়িতে ভিড় করেন প্রতিবেশীরা। সুকুমার প্রামাণিক জানালেন, “আমি দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে শিশুটির কান্না শুনে কোলে তুলে নিই। এমন ফুটফুটে শিশুটিকে ফেলে দিতে পারে কেউ! তবে আমরা ওকে সন্তানের স্বীকৃতি দিয়ে মানুষ করতে চাই।” যদিও আইন মেনেই তা করতে হয় এমন পরামর্শ দিলেন প্রতিবেশীরা। তাই খবর গেল ভীমপুর থানায়। পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, শিশুটি সুস্থ আছে। সুকুমারবাবুর সংসারে অভাব নিত্যসঙ্গী। রয়েছে দুটি মেয়ে। পিঙ্কিদেবীর একটাই কথা, শত অভাবের মধ্যেও আমরা ওকে ঠিক মানুষ করব। আপাতত সুস্থ হওয়ার পর শিশুটিকে চাইল্ড লাইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। তারপর আইনী পথে তাকে দত্তক নিতে পারবে ওই পরিবার বলেই মনে করা হচ্ছে।

[লম্বায় ৮ ফুট ২ ইঞ্চি, অতিকায় ‘কাবুলিওয়ালা’কে দেখতে মেলা ভিড় সিউড়িতে ] 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.