Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

বিশ্ব বাংলা বিতর্কে মুকুলের বিরুদ্ধে ফৌদজারি ও মানহানির মামলা অভিষেকের

অভিষেকের হুঁশিয়ারি, "অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে মুকুল রায় গদি ছাড়ুন, বাংলা ছাড়ুন।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৩:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৩:১৯

options
link
বিশ্ব বাংলা বিতর্কে মুকুলের বিরুদ্ধে ফৌদজারি ও মানহানির মামলা অভিষেকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ব বাংলা ও জাগো বাংলা নিয়ে মিথ্যা অভিযোগের কারণে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও মানহানির মামলা করেছেন অভিষেক। মঙ্গলবার সকালে ব্যাঙ্কশাল আলাদতে পৌঁছে যান তিনি।

এদিন মুকুল রায়ের মন্তব্যের অডিও ও ভিডিও ক্লিপ নিয়ে আদালতে হাজির হয়েছিলেন অভিষেক। বিচারককে সেই ক্লিপগুলি দেখানো হয়। মুকুলের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২০২ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করার আরজি জানান তিনি। এদিন আদালত থেকে বেরিয়ে আসার সময় অভিষেক দৃঢ় কণ্ঠে জানান, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যে। পাশাপাশি তাঁর হুঁশিয়ারি, এসব অভিযোগ মুকুল প্রমাণ করতে না পারলে তিনি যেন গদি ছেড়ে দেন, বাংলা ছেড়ে দেন। সঙ্গে জানিয়ে দেন, মুকুল যদি এ কথা প্রমাণ করে দেন, তাহলে রাজনীতির আঙিনায় আর পা রাখবেন না অভিষেক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ত্রিপুরায় নিহত সাংবাদিকের ভাইকে বাংলায় চাকরির প্রস্তাব মমতার]

গত ১০ নভেম্বর রানি রাসমনি রোডের এক জনসভা থেকে অভিষেককে আক্রমণ করেন মুকুল রায়। জানান, বিশ্ব বাংলা ও জাগো বাংলার মালিকানা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। তারপরই বিশ্ব বাংলা লোগো নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। যদিও পালটা বিবৃতি দিয়ে তৃণমূলের তরফে তা ভুয়ো বলেই জানানো হয়েছিল। এরপরই মুকুলের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন অভিষেকের। তাঁকে আইনি নোটিস ধরানো হয়। নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘তৃণমূল এবং অভিষেকের সম্মানহানির জন্যই এই সমস্ত অভিযোগ আনা হয়েছে।সাংবাদিক সম্মেলন করে ক্ষমা চাওয়ার শর্ত দেওয়া হয় মুকুলকে। নাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল নোটিসে। এরপরই প্রকাশ্যে এ নিয়ে মুকুলকে কোনও মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছিল আলিপুরদুয়ার আদালত। কিন্তু তা কানে তোলেননি তিনি। সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই। এমনকী দ্বিতীয়বারও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিষেককে আক্রমণ করেন। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও এমন ঘটনা ঘটানোয় শোকজ করা হয় মুকুলকে। তাঁর কাছে জবাবদিহি চেয়েছে আদালত।

[স্নেহাশিসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, বাড়ল প্লেটলেট কাউন্ট]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.