Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Amit Shah

‘জয় সিয়ারাম বলিয়ে ছাড়ব’, অমিত শাহর ‘জয় শ্রীরাম’কে পালটা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

শ্লেষের সুরে অমিত শাহর মন্তব্য ছিল, ভোটের পর মমতাও 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান তুলবেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১, ১৫:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১, ১৫:৪৯

options
link
‘জয় সিয়ারাম বলিয়ে ছাড়ব’, অমিত শাহর ‘জয় শ্রীরাম’কে পালটা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘জয় শ্রীরাম’ বনাম ‘জয় সিয়ারাম’। বিধানসভা ভোটের আগে স্লোগান যুদ্ধে তপ্ত বাংলা। চলতি সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) কোচবিহারের সভা থেকে শ্লেষের সুরে বলেছিলেন, ”ভোট শেষের পর জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।” তার জবাবে শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি থেকে যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) পালটা হুঙ্কার দিলেন, ”বিজেপি নেতাদের জয় সিয়ারাম বলিয়ে ছাড়ব।” প্রসঙ্গত, বারবারই ‘জয় শ্রীরাম’ নিয়ে আপত্তি তোলার অস্ত্র হিসেবে তৃণমূল নেতৃত্ব এগিয়ে রেখেছে ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনিকে। এবার অভিষেক সরাসরি সেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন। ফলে স্লোগান নিয়ে এই চর্চা ভোট পরবর্তী বঙ্গ রাজনীতিরও একটা অঙ্গ হয়ে রয়ে যাবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের।

ভোটের আগে এখন লাগাতার প্রচারে ভোল্টেজ বাড়াচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। প্রচারের লাইমলাইটে তৃণমূল এবং বিজেপি। কেউ কোথাও প্রচারসভা করলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালটা মাঠে নেমে পড়ছে যুযুধান প্রতিপক্ষ। সেভাবেই শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা এবং রোড শো’র জোড়া কর্মসূচি সারলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কুলপির জনসভা থেকেই তিনি নতুন করে স্লোগান অস্ত্রে শান দিলেন। বললেন, ”বিজেপি নেতারা বলেন, জয় শ্রীরাম। আমরা বলি, জয় সিয়ারাম। অর্থাৎ সীতা আর রাম। আগেই আসে নারীর নাম। বিজেপি নেতারা এই উচ্চারণ করেন না। কারণ, তাঁরা নারীদের সম্মান দিতে জানেন না। কিন্তু চ্যালেঞ্জ করছি, ভোটের পর ওঁদের ‘জয় সিয়ারাম’ বলিয়ে ছাড়ব।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘সংবাদ প্রতিদিনে’র খবরের জের, ১৬ বছর পর বন্দিদশা ঘুচল আউশগ্রামের সবিতার]

আসলে পুরাণ চরিত্র সীতা এবং রামকে একসঙ্গে গোবলয়ে ‘সিয়ারাম’ বলা হয়ে থাকে। এর মধ্যে তথাকথিত পুরুষতান্ত্রিকতার আস্ফালন নেই। বরং নারীর নাম সামনে রেখে নারীশক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন উৎসব, অনুষ্ঠানে সেখানকার মানুষজনের মুখে শোনা যায় – ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি। যার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ ছিল না। সম্প্রতি তা গোবলয়ের বিজেপি নেতাদের হাত ধরে কোনওভাবে ঢুকে পড়েছে রাজনীতির বৃত্তে। এই মুহূর্তে দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিক থেকে নারীশক্তিকে সম্মান জানাতে ‘জয় সিয়ারাম’ সুপ্রযুক্ত স্লোগান। অভিষেকের অভিযোগ, বিজেপি নেতাদের সেটুকু বোধ নেই, তাই তাঁরা ‘সিয়ারাম’ খারিজ করে ‘শ্রীরামে’ ঝুঁকেছেন। কিন্তু বাংলার মাটিতে নারীরা সর্বদাই শ্রদ্ধার। বাংলা মানেই মা। তাই তাঁর চ্যালেঞ্জ, এখানে দাঁড়িয়ে ‘জয় শ্রীরাম’ তেমন আলোড়ন তুলতে পারবে না। বরং ‘জয় সিয়ারাম’ বলে নারীশক্তিকে সম্মান জানাতেই বাধ্য হবেন।

[আরও পড়ুন: পরিবর্তন যাত্রাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত ইলামবাজার, জখম ৫]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.