সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। প্রশ্ন তুললেন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও। গণতন্ত্রের হত্যাকারী বলেও খোঁচা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সঙ্গে শোনালেন ‘দুই হিমন্তে’র গল্পও।
হুগলি জেলার সিঙ্গুরের আজবনগর এলাকায় রিসর্টে হুগলি লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী ও তৃণমূল নেতৃত্বের সাথে বৈঠক করেন অভিষেক। ছিলেন স্থানীয় নেতৃত্ব। সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁর তোপ, “গণতন্ত্রকে হত্যা করাই নির্বাচন কমিশন তথা বিজেপির একমাত্র কাজ। কাল যেভাবে কমিশনের দপ্তরের সামনে থেকে মহিলা সাংসদদের টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। গণতন্ত্রের কালো অধ্যায়।”
[আরও পড়ুন: ২১১ তরুণীর সঙ্গে ‘সেক্স চ্যাট’ মাদ্রাসা শিক্ষকের! শ্রীঘরে ঠাঁই অভিযুক্তের]
এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ‘দুই হিমন্তে’র গল্প শোনালেন তৃণমূল সাংসদ। উল্লেখ করেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রীর হিমন্ত বিশ্বশর্মার কথা। অভিষেকের কথায়,”ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন মাথা নত করেননি। বিজেপির বশ্যতা স্বীকার করেননি, নির্বাচনের দুমাস আগে একজন মুখ্যমন্ত্রীকে ইডি-সিবিআই তুলে নিয়ে গেল।” উলটোদিকে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার কথা উল্লেখ করেন। বলেন, “সারদা চিটফান্ড কাণ্ডের নাম ছিল হিমন্তের। তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। মেরুদন্ড বিকিয়ে দিয়েছেন। সিবিআই-ইডির গ্রেপ্তারি তো দূর, তাঁকে তলব অবধি করেনি।” এই উদাহরণ দেশের সকলের জানা উচিত বলেই মত অভিষেকের। পাশাপাশি আপের পাশেও দাঁড়ান তিনি।
[আরও পড়ুন: হাসিনাকে সরাতে ব্যর্থ, বিএনপির নেতার ‘কূটনৈতিক’ নৈশভোজে পশ্চিমি ‘দূতে’রা]
সর্বশেষ খবর
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, স্টুডিও পাড়ায় তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত অরূপের ভাই
-
টিটাগড়-বারাকপুর পুর-দুর্নীতিতে স্পেশাল অডিটের দাবি, মেট্রো নিয়েও তৎপর কৌস্তভ
-
‘পিঠে বানাতে’ বিধায়ক কার্যালয়ে মহিলাদের ডাক! গ্রেপ্তার বর্ধমানের ‘শাহজাহান’ খোকন
-
৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বার ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক কসরত! ভিডিও দেখে হতবাক নেটপাড়া, উঠল সমালোচনার ঝড়